চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৪ ২২:৪৯ পিএম
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ফরিদ মাহমুদ। প্রবা ফটো
সকালবেলা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় অধিকাংশ এজেন্টের কাছ থেকে রেজাল্ট শিটে প্রিসাইডিং অফিসার স্বাক্ষর নিয়ে নেন বলে অভিযোগ তুলেছেন চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘কয়েকটি ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলোতে আমার এজেন্টকে ঢুকতে দেয়নি। যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট ছিল, সেসব কেন্দ্র থেকে কিছু এজেন্টকে সকাল ১০টায়, কিছু ১২টার পরে বের করে দেওয়া হয়।’
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। ফরিদ মাহমুদ বলেন, একটি মহল আমার ভোটের পরিমাণ কম দেখানোর জন্য ভিলেজ পলিটিক্স করেছে। তারা ভেবেছে এতে করে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে পারবে। ভোটের ফলাফলে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ১০-১২টি করে ভোট দেখিয়েছে। ভোটের রেজাল্ট শিটে খেয়ালখুশিমতো সংখ্যা বসিয়ে দিয়েছে। কিছু কিছু রেজাল্ট শিট ছিল এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়া। আবার কিছু কিছুতে এক হাতের লেখায় এজেন্টদের নাম লিখে একই কলমে একজন সবার স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম-১০ আসনে ২৩৮৫টি ভোট বাতিল দেখানো হয়। বাতিল দেখানো ভোটগুলো কোন প্রতীকের ছিল এটা একটা কৌতূহল থেকে গেল। ভোটের দিন সকালে দুই প্রতীকের এজেন্টদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করে নিলেও একটি প্রতীকের এজেন্টদের মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়নি। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, প্রার্থীর এজেন্ট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ছাড়া অন্য কোনো মানুষের থাকার কথা না থাকলেও একটি প্রতীকের ব্যাজধারী ৫-৬ জন নেতাকর্মী কেন্দ্রের ভেতরে সারা দিন অবস্থান করেন।
মতবিনিময়কালে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ মাহমুদের নির্বাচনী এজেন্ট পলাশ খাস্তগীর, সমর্থনকারী জাকির হোসেন রিপন, নগর যুবলীগের সাবেক নেতা নেছার আহমেদ, শেখ নাছির আহমেদ, আশরাফুল গনি, শওকত হোসেন, ফিরোজ আলম সবুজ, আশরাফুল আলম টিটু, দেলোয়ার হোসেন দেলু, রাশেদ চৌধুরী, নাজমুল হাসান রুমি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।