× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাবার লাগানো গাছের নিচে আবেগাপ্লুত কেনেডি জুনিয়র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২২ ২৩:১৫ পিএম

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২২ ১২:৫৩ পিএম

কেনেডি জুনিয়র ও তার পরিবারের সদস্যরা। ছবি : ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ

কেনেডি জুনিয়র ও তার পরিবারের সদস্যরা। ছবি : ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ

বাবার লাগানো বটতলায় দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ এডওয়ার্ড টেড এম কেনেডি জুনিয়র আবেগাপ্লুত হয়েছেন। বটগাছটির মতোই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, গত ৫০ বছর যাবৎ বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী ৫০ বছরে আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি তার বিশ্বাসের কথা জানান।

প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে টেড এম কেনেডি জুনিয়র। সোমবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘কমেন্টিং দ্য ফিফটিনথ অ্যানিভার্সারি অব ইউএস-বাংলাদেশ রিলেশনস’ শীর্ষক বিশেষ বক্তৃতা দেন কেনেডি জুনিয়র। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা বাংলাদেশের মানুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৭১ সালের গণহত্যা সম্পর্কে আমাদের অনেক গল্প শুনিয়েছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি সাহসী অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। আমার বাবা ১৯৭১ সালে ভারতে শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের পর বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতার চিত্র তুলে ধরেছিলেন।’ এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসও বক্তব্য রাখেন। 

মিয়ানমারের শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য কেনেডি জুনিয়র বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় বাবার হাতে রোপণ করা বটগাছ পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিল তার পরিবারের সদস্যরাও। পরে রিকশায় করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তারা। কেনেডি জুনিয়র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৭২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বটগাছের চারা রোপণ করেছিলেন। বটগাছটি দুই দেশের মানুষের বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।’ এই গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন বহন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান পিতার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার জন্য এডওয়ার্ড টেড এম কেনেডি জুনিয়রকে ধন্যবাদ জানান। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে উপাচার্য বলেন, সে সময় বাংলাদেশের পক্ষে তিনি আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলেছিলেন। উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। এডওয়ার্ড টেড এম কেনেডির বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 


প্রবা/টিকে/এমজে

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা