আবু রায়হান তানিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৪:৩৩ পিএম
আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৫:২৫ পিএম
চট্টগ্রাম-১০ আসনের একটি কেন্দ্রে কালো জ্যাকেট পরা যুবক গুলি ছুড়ছেন। প্রবা ফটো
চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী-খুলশী) আসনে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কালো জ্যাকেট পরিহিত এক যুবককে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত ও সরেজমিনে দেখা গেছে, সাবেক মেয়র ও ফুলকপি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলমের লোকজন ১০টার পর পাহাড়তলী কলেজ কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। তখন কেন্দ্রের আশপাশে থাকা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর লোকজন বাধা দেয়। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
প্রতিদিনের বাংলাদেশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, যুবকের নাম শামীম আজাদ। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিনের অনুসারী। চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহেল হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি শামীমের বিরুদ্ধে মিরসরাই থানায় আরও একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই চট্টগ্রামের সিটি গেট এলাকা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শুনেছি, এটা যাচাই করছি। গুলিবিদ্ধ দুজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাদের মধ্যে একজন রিকশাচালক বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করি আর কোনো ঝামেলা হবে না, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
ওই এলাকায় দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেতীপ্রু বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরেছি। ঘটনার সময় আমি ওই কেন্দ্রে ছিলাম না। ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’
এ ব্যাপারে জানতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
তবে ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলম জানান, ঘটনার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না।
এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে কারও সাড়া পাওয়া যায়নি।