নেত্রকোনা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২২ ১৭:৫১ পিএম
ফাইল ছবি
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার সময় রাস্তা থেকে এক কিশোরীকে (১৪) তুলে নিয়ে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত দুই যুবককে নেত্রকোণা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একইসাথে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাব্বি মিয়া (২৫) ও অন্তর মিয়া (২৩)। রাব্বি উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বাশরী (বাফলা) গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে এবং অন্তর একই গ্রামের মঞ্জিল হকের ছেলে।
মদন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাতে ৫ যুবকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত রাব্বি মিয়া ও অন্তর মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় ওই কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে তিয়শ্রী এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। পথে কেন্দুয়া-মদন সড়কের কাইটাল বাজার এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামতেই পাঁচ যুবক অন্য একটি অটোরিকশায় এসে কিশোরীরকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় কিশোরীর মা ডাক চিৎকার শুরু করলে বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের লোকজন কিশোরীটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
অপরদিকে ওই পাঁচ যুবক কিশোরীটিকে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে বাররী গ্রামের সেলিম মিয়া নামে এক ব্যক্তির ঘরে আটকে রেখে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে হত্যার ভয় দেখিয়ে আরেক দফা ধর্ষণ করার সময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পান। এ সময় ধর্ষকরা পালিয়ে গেলে কিশোরীর পরিবারের লোকজনকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পরিবারের লোকজন কিশোরীটিকে উদ্ধার করতে সেখানে ছুটে যান।