খুলনা-৫
খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৪ ২০:০৩ পিএম
খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন আকরাম হোসেন। প্রবা ফটো
খুলনা-৫ (ফুলতলা ও ডুমুরিয়া) আওয়ামী লীগের প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আকরাম হোসেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, নারায়ণ চন্দ্র এলাকার ভোটারদের সরকারি সুবিধা বিভিন্ন ভাতার কার্ড বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। ভোটারদের ওপর নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে তার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিকালে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন আকরাম হোসেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘নৌকায় প্রতীকে ভোট না দিলে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের মানুষ ডুমুরিয়া ও ফুলতলায় টিকতে পারবে না বলে ভীতি ছড়াচ্ছেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তার কিছু অনুসারী ও আজ্ঞাবহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন, ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডুমুরিয়া উপজেলার কয়েকজন কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে নায়ারণ চন্দ্র চন্দের বিরুদ্ধে কারচুপি করার অভিযোগ রয়েছে। এবারও জাতীয় নির্বাচনে কারচুপি করে ফল প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছেন। নারায়ণ চন্দ্রের আজ্ঞাবহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলি করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন কমিশনের দাবি জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আকরাম হোসেনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল খোকন, সদস্য সচিব মোস্তফা সরোয়ার, ইউপি চেয়ারম্যান শিপলু ভূইয়া, আলমগীর হোসেন, আশরাফুল আলম রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আকরামের হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচনী জনসভায় থাকার কারণে নারায়ণ চন্দ্র চন্দের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, শেখ আকরাম হোসেন ভোটারদের সমর্থন না পেয়ে দিশেহারা হয়ে এসব বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও নিজের কল্পনাপ্রসূত অভিযোগ করছেন। তিনি যেসব অভিযোগ করেছেন তার কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না। বরং আকরাম হোসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন।