× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শাহীন-রেজাউলের অভিযোগে নাওড়াবাসী হতভম্ব

অন্যকে ফাঁসাতে শিশুহত্যা তাদের পুরোনো স্বভাব

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৬:৩৫ পিএম

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৫:০৩ পিএম

শিশু স্বাধীনের মরদেহ উদ্ধারের পর সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে আসে তার পরিবার। তবে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাব না দিয়েই তড়িঘড়ি করে তা শেষ করে দেওয়া হয়। প্রবা ফটো

শিশু স্বাধীনের মরদেহ উদ্ধারের পর সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে আসে তার পরিবার। তবে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাব না দিয়েই তড়িঘড়ি করে তা শেষ করে দেওয়া হয়। প্রবা ফটো

বহু বছর আগের দুটি হত্যার ঘটনা আজও ভুলতে পারেনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের নাওড়া গ্রামের মানুষ। চাঞ্চল্যকর সেই দুই হত্যার কাহিনী আজও ফেরে স্থানীয়দের মুখে মুখে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের স্বজনকে হত্যা করা হয়েছিল ওই দুই ঘটনায়। যে পরিবারে ঘটেছিল এ ঘটনা, সেই পরিবারের আরেকজন সদস্যের মৃত্যুর পর পুরোনো সেই কাহিনী নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে নাওড়া গ্রামে। লোকজনের মনে সন্দেহ দানাবেঁধেছে, জেগেছে প্রশ্ন- এবারও কী কাউকে ফাঁসাতে নতুন করে কাহিনী রটিয়েছে সেই পরিবার?

এমন সন্দেহ-অবিশ্বাস রূপগঞ্জের আলোচিত রেজাউল করিম রেজার পরিবার নিয়ে। কিছুদিন আগে রেজার ৯ বছর বয়সি নাতি ওসমান গণি স্বাধীনের লাশ উদ্ধার হয়েছে বালু নদ থেকে। শিশুটির অপমৃত্যু নিয়ে নানা ধোঁয়াশা থাকলেও এ ঘটনাকে পুঁজি করে চলছে অন্যকে ফাঁসানোর চক্রান্ত। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সেই চক্রান্তে শামিল হয়েছে স্বাধীনের স্বজনরাও। 

নাওড়া এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নব্বইয়ের দশকে প্রথমে তারই ফুফাতো ভাই শামসুদ্দীন মেম্বারের মেয়ে এবং কিছুদিন পর শামসুদ্দিনের এক ছেলেকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় রেজাউল ও তার খালাতো ভাই সাদেক। এরপর একই এলাকার মানিক মিয়া, আবুল হোসেন মেম্বার, সাদেক, ইসহাক ও আমির নামে কয়েকজনকে আসামি করে রেজাউলরাই আবার হত্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ ১০ বছর আইনি লড়াইয়ের পর মিথ্যা ওই মামলা থেকে খালাস পান সব আসামি। 

রেজাউলের নাতি স্বাধীনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যা চলছে তাতে পুরোনো কাহিনী ফের মনে ভাসছে নাওড়াবাসীর। স্বাধীনের মৃত্যুর ঘটনায় দেশের স্বানামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মিজানুর রহমান মিজানসহ বেশ কয়েকজনকে ফাঁসাতে যেভাবে উঠেপড়ে লেগেছেন রেজাউলÑ তাতে সন্দেহ বেড়েছে স্থানীয়দের। তারা বলছেন, রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার ভাইকে ফাঁসাতে গিয়ে হয়তো রেজাউল পুরোনো খুনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে থাকতে পারেন। কারণ স্বাধীনের লাশ উদ্ধারের পর থেকে রেজাউলদের সঙ্গে রূপগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশাররফ হোসেন মোশা এবং তার গডফাদারদের সখ্য বেড়েছে। তাদের প্ররোচনাতেই রেজাউল রংধনু গ্রপের চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ অন্যদের ফাঁসানোর অপচেষ্টা করছেন বলে বিশ্বাস নাওড়ার মানুষের। 

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, রেজাউল করিম, তার ছেলে শাহীনুর রহমান শাহীন ও পুত্রবধূ উম্মেহানি মুন্নি রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন তা ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট। সবকিছুই অন্যের শেখানো বুলি। কারণ রেজাউল ছোটবেলা থেকেই নানা অপকর্মে জড়িত। অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করা, নিজের স্ত্রী-সন্তানের খোঁজখবর না রাখা, প্রতারণাসহ হাজারো অপকর্মের হোতা এই রেজাউল। 

নাওড়া গ্রামের বাসিন্দা রেজাজ উদ্দিনের স্ত্রী রাশিদা গত শুক্রবার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমার মেয়ের ছোটবেলায় তার মুখে লবণ দিয়ে মেরে ফেলার কুপরামর্শ সৎভাইকে দিয়েছিল এই রেজাউল। সে সামসুদ্দিনের মেয়েকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দিয়েছিল। ওই হত্যার ঘটনায় তার সঙ্গে ছিল তার খালাতো ভাই সাদেক। ঘরে স্ত্রী থাকার পরও সে অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে। টাকার জন্য সে যা খুশি করতে পারে। আমরা মনে করি, রেজাউল আর তার ছেলে শাহীন মিলে স্বাধীনকে হত্যা করে এখন রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যাচার করছে।’

নাওড়া গ্রামের মাসুদা বেগম বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশাররফ হোসেন মোশা একটা রাক্ষস। সে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানকে ফাঁসানোর জন্য রেজাউলকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে। টাকা খেয়ে রেজাউল এখন নানান মিথ্যা ও আজেবাজে কথা বলছে। মোশা তার মামা হয়। তারই কুপরামর্শে সে এসব করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রেজা খারাপ লোক হওয়ায় নিজের বাড়িতে না থেকে বহু দিন থেকে দোকানে থাকে। সেখানে নিজে রান্না করে খায়।’ নিমেরটেক এলাকার এক লোকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করেছে রেজা।’ 

নাওড়া বাজারে সবজি দোকানদার আতিকুর রহমান রেজাউলের আপন মামা। আতিকুর বলেন, ‘আমার ভাগনে রেজাউল একটা হারামি মানুষ। টাকার জন্য হেন অপকর্ম নাই যা সে করতে পারে না। শুনেছি সে একটি গ্রুপের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নিয়েছে। বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে এখন সে মিথ্যাচার করছে। আমার ধারণা রেজা-ই সন্ত্রাসী মোশার প্ররোচনায় এসব অপকর্ম করছে। তার বিরুদ্ধে শিশু হত্যার অভিযোগ বহু পুরোনো। শামসুদ্দীন মেম্বারের মেয়েকে হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়ে সে বহুদিন গ্রামে ছিল না। পালিয়ে থাকত।’

 আতিকুর আরও বলেন, ‘রেজাউলের নাতি মারা গেছে এটা ঠিক। সত্যিকার অর্থে বিচার চাইলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বসে পরামর্শ করে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করত। আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতাম। সেটা না করে সে মিথ্যাচার করছে। রফিক চেয়ারম্যান ও তার ভাইকে জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য দিচ্ছে। তার কথাতেই বোঝা যায় সে মিথ্যা কথা বলছে।’ 

নাওড়া গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, ‘আমি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার সঙ্গে সামসুদ্দিন মেম্বারের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। সে কারণে আমাদেরকে ফাঁসানোর জন্য রেজাউল ও তার খালাতো ভাই সাদেক সামসুদ্দিন মেম্বারের মেয়েকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। লাশ কাঁধে করে নিতে দেখেছে ওই সময় গ্রামের মানুষ। ঘটনাটি ১৯৮১-৮২ সালের। কিন্তু আমিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে তারা হত্যা মামলা করে। দীর্ঘ ১০ বছর মামলা মোকাবিলা করে আদালত থেকে খালাস পাই। কিন্তু মামলায় লড়তে গিয়ে আমি ২৫ বিঘা জমি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমাকে ১ নম্বর আসামি করে মামলা করে শামসুদ্দিন মেম্বার। আমরা ন্যায়বিচার চেয়ে আইজিপির কাছে দরখাস্ত করেছিলাম। পরে সিআইডির তদন্তে আমরা নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আদালত থেকে বেকসুর খালাস পাই।’

মানিক মিয়া আরও বলেন, ‘প্রতারণা করে হত্যা মামলায় অন্যকে ফাঁসানোর ঘটনা রেজাউলের কাছে নতুন নয়। সে মোশার কুপরামর্শে নাওড়া গ্রামের নিরীহ লোকজনকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে। মিথ্যাচার করছে।’

নাওড়া গ্রামের বাসিন্দা ও রেজাউলের প্রতিবেশী মাছ ব্যবসায়ী মো. জালাল বলেন, ‘রেজাউলের প্রতারণা বহু পুরোনো অভ্যাস। চরিত্রহীন লোক এই রেজাউলের পেশা মিথ্যা মামলায় মানুষকে ফাঁসানো। সে সন্ত্রাসী মোশা ও অন্য লোকজনের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে এখন মিথ্যাচার করছে।’

নাওড়া গ্রামের বাসিন্দা কাজী নবী হোসেন বলেন, ‘আমাদের গ্রামে রেজাউলের চেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ আর নেই। সে সামসুদ্দীন মেম্বারের সৎ মেয়ে ও ছেলেকে হত্যা করে মানিক, আবুল মেম্বারসহ অন্য লোকজনকে ফাঁসিয়ে দিয়েছিল। রেজাউল কিছু দিন জেলও খাটছিল। আমরা টেলিভিশনে ও ফেসবুকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার দিন তার সংবাদ সম্মেলন দেখেছি। সে বুক চাপড়াইয়া যেসব কথা বলছে তার সবই শতভাগ মিথ্যা। রেজাউলে ভয়ানক নাটকবাজ লোক। টাকার জন্য সে বহু নিচে নামতে পারে। সে মৃত নাতিরে নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশাররফ হোসেন মোশার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নিয়া রফিক চেয়ারম্যান ও তার ভাই মিজানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। সে মোশার শিখানো কথাবার্তা বলছে। রেজাউল রফিক চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে কথা বলছে। আমরা জানি রফিক চেয়ারম্যান বা তার ভাই কোনোদিনও রেজাউলের বাড়িতে যাননি। তার জমি কিনতে চাওয়ার প্রশ্নেই আসে না। আর সে বাড়ি বিক্রির কথা বলছে তার জায়গা কই? ‍দুই শতাংশের একটি ভিটা ছাড়া তার কিচ্ছু নাই। সে ৩৫ শতাংশ বা ৩৮ শতাংশ জমির কথা বলছে, দুইটা বাড়ির কথা বলছে পারলে সেটার দলিল দেখাক। মিথ্যাচারের একটা সীমা থাকা দরকার।’ 

নাওড়া গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, ‘রেজা, তার ছেলে শাহীন ও ছেলের বউকে দেখলাম সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছে। তারা যা বলেছে সেটা শতভাগ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। সে একজন শিল্পপতিকে জড়িয়ে বুক চাপড়িয়ে চাপড়িয়ে যেসব কথা বলেছে সেগুলোর সবই মিথ্যা। আসলে সে লোভী ও লুচ্চা প্রকৃতির লোক। শামসুদ্দীন মেম্বারের মেয়েকে ও ছেলেকে মেরে সে মানিক ও আবুল মেম্বারসহ কয়েকজনকে ফাঁসিয়ে দিয়েছিল। রেজাউলের এই স্বভাব বহু পুরোনো। অবৈধ অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশার সঙ্গে মিলে রেজাউল এসব অপকর্ম করছে। বিশেষ মহলের হয়ে আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে।’ 

নাওড়া গ্রামের অপর বাসিন্দা ও রেজাউলের প্রতিবেশী নূরু মিয়া প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘রেজাউল অত্যন্ত খারাপ লোক। সে কমপক্ষে ৩টা হত্যার সঙ্গে জড়িত। নাওড়া গ্রামে অশান্তির জন্য দায়ী সে। মানুষ মেরে অন্যকে ফাঁসানোই তার পেশা। সামসুদ্দিনের ছেরি আর ছেরাকে মেরে মানিককে ফাঁসাইছে। এখন নিজের নাতিরে মেরে আমাগো চেয়ারম্যানরে ফাঁসাইছে। আমরা হলফ করে বলতে পারি রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান কোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি বটগাছের মতো আমাদেরকে ছায়া দিয়ে রেখেছেন। তিনি আছেন বলে নাওড়া গ্রামে এখনও শান্তি আছে। আমরা বউ, ছেলে, মেয়ে নিয়ে সংসার করতে পারি। তিনি না থাকলে এই গ্রামের কারও ঘরে বউ, ছেলে, মেয়ে রাখতে পারব না। সন্ত্রাসীরা তুলে নিয়ে যাইব।’ নূরু মিয়া আরও বলেন, ‘রফিক চেয়ারম্যানের জন্য মোশা ও তার গডফাদাররা এই গ্রামে ঢুকতে পারে না। তিনি না থাকলে অনেক মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে।’

এভাবেই কায়েত পাড়ার নাওড়া ইউনিয়নের শত শত মানুষ রেজাউল করিম, তার ছেলে শাহীনের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে সাক্ষী দেন। তারা সবাই এক বাক্যে বলেন, রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার ভাইকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশার কুপরামর্শে রেজাউল ও শাহীন মিথ্যাচার করছেন।

গত ৪ ডিসেম্বর কায়েতপাড়া বাজারের উত্তর পাশে বালু নদী থেকে রেজাউলের নাতি ও শাহীনের ছেলে ৯ বছর বয়সি ওসমান গনি স্বাধীনের লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। ওই ঘটনায় খিলগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। শুরুতে স্বাধীনের পরিবার বলছিল তাদের কোনো শত্রু নেই। শিশুটির মৃত্যুর জন্য তারা কাউকে দায়ী করছে না। এলাকার কারও সঙ্গে তাদের কোনো দ্বন্দ্ব বা বিরোধ নেই। কিন্তু কয়েকদিন পরই শিশু স্বাধীনের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে ইস্টওয়েস্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়। গত ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে বসুন্ধরা গ্রুপের ক্যাডারবেষ্টিত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন স্বাধীনের মা বাবা ও দাদা। সেখানে তারা রংধনু গ্রুপকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করতে থাকেন। এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা তাদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে সেগুলোর জবাব না দিয়েই বসুন্ধরা গ্রুপের ক্যাডাররা তাদেরকে নিয়ে হলরুম ত্যাগ করে। স্বাধীনের পরিবারের নির্লজ্জ মিথ্যাচারে বিস্ময় প্রকাশ করেন নাওড়া গ্রামের মানুষ। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা