চট্টগ্রাম-১৫
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৩:২৩ পিএম
আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভী ও এম এ মোতালেব। সংগৃহীত ছবি
প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেবকে ‘বেঈমান’, ‘মোনাফেক’ ডাকার পাশাপাশি ‘খন্দকার মোশতাকে’র সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভীর বিরুদ্ধে। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেব আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নদভীর বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের কাছে লিখিত এ অভিযোগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় লোহাগাড়া উপজেলার বার আউলিয়া কলেজের পাশে বাঙালিয়ানা নামে একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্যের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি আবদুল মোতালেব ও তার সমর্থকদের বেঈমান, মোনাফেক ও খন্দকার মোশতাক উল্লেখ করে উসকানিমূলক, মানহানিকর ও চরিত্রহননমূলক কথাবার্তা বলেছেন। সভায় লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম ইউনুস, প্যানেল চেয়ারম্যান আক্কাস ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল নবী উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন। এমপি নদভী ও তার অনুসারীদের এসব বক্তব্য নির্বাচনকে প্রভাবিত করার শামিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ ডিসেম্বর সাতকানিয়া কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দেওয়া উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এমপি নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী, একই দিন ও একই স্থানে লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একেএম আসিফুর রহমান চৌধুরী এবং একই দিন নির্বাচন পূর্ব বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডকে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও উৎসাহ প্রদানের জন্য অভিযুক্ত প্রার্থী নদভীর নেতৃত্বে মিছিলে প্রতীকের নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়া হয়। যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর ১১(ক) ও ১২নং বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অভিযোগে এরকম বিধিবহির্ভূত কর্মকান্ড নির্বাচন ও এর পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেব।
অভিযোগের বিষয়ে এমপি নদভীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিতে ইলেক্ট্রোরাল কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এ কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’