কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:৪১ পিএম
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:৪৪ পিএম
কক্সবাজার জেলা ইপিআই কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খিসা। প্রবা ফটো
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ দিন কক্সবাজার জেলায় ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮১১ শিশুকে খাওয়ানো হবে এই ক্যাপসুল। তবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর ৫ দিন ব্যাপী চলবে এই ক্যাম্পেইন।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ইপিআই কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খিসা।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সঠিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদ, মন্দিরে প্রচারণা ছাড়াও জেলাব্যাপী মাইকিং করে প্রচারণা চালানো হবে। ৬ থেকে ১২ মাস বয়সের নিচে শিশুদের নীল রঙয়ের ক্যাপসুল দেওয়া হবে। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজার জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি ৫৮ হাজার ২০৯ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ২৩ হাজার ৬০২ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। জেলায় স্থায়ী, অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণসহ এক হাজার ৮১১টি টিকাদান কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কোনো শিশু যেন টিকা খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে, সেজন্য রেলস্টেশন, বাসস্টেশন ও সমুদ্র সৈকত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ১৭টি টিকাদান কেন্দ্র থাকবে। এ সময় ২৩৪ জন তত্ত্বাবধায়ক, ২২৫ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ১৭৩ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী ও ৫ হাজার ৪০৬ জন সেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।’
সিভিল সার্জন বলেন, ‘কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আলাদাভাবে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর ৫ দিনব্যাপী উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহায়তায় চলবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৭ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১৫ হাজার ৬৬৫ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯২ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পে ৪২১টি টিমে ৯০০ সেচ্ছাসেবক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্যাপসুল খাওয়াবে। ক্যাম্পে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানোর পাশাপাশি পুষ্টি বার্তা প্রদান, তীব্র অপুষ্ট শিশু শনাক্ত করে সমন্বিত পুষ্টি কেন্দ্রে পাঠানো হবে। এ জন্য ক্যাম্পে ৪৫টি সমন্বিত পুষ্টি কেন্দ্র থাকবে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজারের সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহ ফাহিম আহমদ ফয়সল, ডা. কণিনীকা দস্তীদার, কক্সবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাদিয়া আফরোজ, জেলা ইপিআই সুপার সাইফুল ইসলাম, ইউনিসেফ প্রতিনিধি মো. শাহ আলম।