গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৫ এএম
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১১:০২ এএম
মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)। মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে গাজীপুরের পাঁচটি আসনের অনেক প্রার্থী মানেননি নির্বাচনী আচরণবিধি। করেছেন মিছিল, দিয়েছেন শত শত নেতাকর্মী নিয়ে শোডাউন।
গাজীপুর-১ আসনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ আসনে সংসদ এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেহের আফরোজ চুমকিসহ বিভিন্ন দলের একাধিক প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল কিংবা শোডাউন করতে পারবেন না। এ সময় প্রার্থীর সঙ্গে প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারীসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন উপস্থিত থাকার কথা বলা আছে। কিন্তু তা মানেননি প্রার্থীরা।
সকালে কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এ সময় তার সঙ্গে শত শত লোক উপস্থিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত থাকেন ১২ থেকে ১৫ জন।
দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রিটার্নিং অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল। তার সঙ্গেও শত শত নেতাকর্মী নৌকা প্রতীকের স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ডিসি অফিসের সামনে অতিরিক্ত লোকসমাগম ও ভিড় লেগে যায়। এ আসনের অন্য প্রার্থীর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা দেখা যায়।
গাজীপুর-৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেহের আফরোজ চুমকি বুধবার দুপুরে ১২ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আজিজুর রহমানের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে কার্যালয়ের বাইরে শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থী, প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারীসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন উপস্থিত থাকতে পারবেন। তাদের বিভিন্ন সময় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এর পরও যদি কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তবে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।