রংপুরে ইসি রাশেদা
রংপুর অফিস
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:০৪ পিএম
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি রাশেদা সুলতানা। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শুক্রবার দুপুরে। প্রবা ফটো
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যে তারিখ নির্ধারণ হয়েছে, তা পেছানোর চিন্তা এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।
মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেছেন, কে হরতাল-অবরোধ দেবে তা ইসির দেখার বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ভোটের পরিবেশ তৈরি আছে। সেই পরিবেশ বজায় থাকবে।
শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এবস কথা বলেন। এর আগে এখানে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রংপুর বিভাগের আট জেলার রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা করেন এই নির্বাচন কমিশনার।
১৫ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা দেন। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর।
মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন নিয়ে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘বর্তমানে মাঠ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। এক দিনের নোটিসে আজ আমি প্রস্তুতি সভা করেছি। এ থেকে বোঝা যায় মাঠ প্রশাসন আমাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কি না।’
অতীতের মতো এবারও সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে কি না – প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সেনাবাহিনী থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা চিন্তা করছি।’
কেউ ভোটারদের ভয় দেখালে শাস্তির আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আগে ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখালে কোনো ধরনের শাস্তির বিধান ছিল না। এবার সংশোধিত আইনে শাস্তির আওয়াতায় আনা হবে। আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়েছি। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। ভোটাররা সংসদ সদস্য হিসেবে যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, তিনিই সংসদে যাবেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, বিজিবি উত্তর পশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার শফিকুজ্জামানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।