× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আ.লীগ নেতা বাপ্পী হত্যা

২০ বছরেও বিচার না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৩ ২৩:৫০ পিএম

আমিনুর রহমান খান বাপ্পী। সংগৃহীত ছবি

আমিনুর রহমান খান বাপ্পী। সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকালে শহরের কলেজ পাড়ায় বাপ্পীর স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালি, কবর জিয়ারত, কোরআন তেলোয়াত, দুপুরে গণভোজ এবং সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে ২০ বছরেও বাপ্পী হত্যার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হত্যাকারীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। 

আমিনুর রহমান খান বাপ্পী টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তার চাচা প্রয়াত শামসুর রহমান খান শাহজাহান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। ভাই সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর শহরের কলেজ পাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন। সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন নিহত বাপ্পীর বাবা আতাউর রহমান খান (বর্তমানে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি) বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন।  

মামলায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর দুই ভাই মুরাদ সিদ্দিকী ও আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান জামিলুর রহমান মিরন, বিএনপি নেতা আলী ইমাম তপন, পৌর কাউন্সিলর রুমি চৌধুরী এবং জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আব্দুর রউফসহ ১৯ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি প্রথমে সদর থানার পুলিশ তদন্ত করে। পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। ২০০৭ সালের ১২ জুলাই তদন্ত শেষে সিআইডি আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার তদন্তকালেই এক সন্ত্রাসী হামলায় দুই আসামি রুমি চৌধুরী ও আব্দুর রউফ নিহত হন।

হত্যার পর ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাঙ্গাইল এসে বাপ্পীর পরিবারকে সান্তনা দেন। পরে জনসভায় এই হত্যার বিচারও দাবি করেন। বাপ্পীর হত্যার বিচার ২০ বছরেও শেষ হয়নি। আসামিদের অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি ২০০৭ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার কাজ শেষ না হওয়ায় তা আবার টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মামলার ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক আহমদে রাজীব বলেন, ‘আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ২০ তম শাহাদত বার্ষিকী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে বাপ্পীর বাবা আতাউর রহমান খান এমপি, ভাই সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা, বাপ্পীর ছেলে জিলান খানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।’ 

আতাউর রহমান খান এমপি বলেন, ‘পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ- এর থেকে কষ্ট কী হতে পারে? রাজনৈতিক নানা ষড়যন্ত্রে দীর্ঘ ২০ বছরেও সন্তান হত্যার বিচার হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে একজন পিতা হিসেবে সন্তান হত্যার বিচার চাই। বাকিটুকু আল্লাহ দেখবেন।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: protidinerbangladesh.pb@gmail.com

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: pbad2022@gmail.com

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: pbonlinead@gmail.com

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: pbcirculation@gmail.com

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা