× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সিত্রাংয়ে ছন্নছাড়া কক্সবাজার সৈকত

কক্সবাজার অফিস

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৩২ পিএম

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২২ ১৯:০৮ পিএম

ছন্নছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ছবি : প্রবা

ছন্নছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ছবি : প্রবা

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে ছন্নছাড়া হয়ে গেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। বালিয়াড়ি ভাঙনের পাশাপাশি ভেঙে তছনছ হয়েছে রাস্তাঘাট। সৈকত সৌন্দর্য হারিয়ে পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-পরবর্তী সৈকত দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। তবে সাগর উত্তাল থাকায় এখনও নিষেধ রয়েছে সমুদ্রস্নান। আর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং দুর্বল হয়ে পড়লেও উত্তাপ কমেনি সাগরের। জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। উত্তাল ঢেউ আঘাত হানছে বালিয়াড়ি ও তীররক্ষার জিও ব্যাগে।

সৈকতপাড়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, উচ্চ জোয়ারে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সৈকতের ব্যবসায়ী মফিজ মিয়া বলেন, সিত্রাং ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে ৩ কিলোমিটার সৈকতে। তলিয়ে গেছে জিও ব্যাগ। রাস্তাঘাট ভেঙে তছনছ। একই সঙ্গে ময়লায় সয়লাব সাগরপাড়। সৈকতের শৈবাল থেকে কলাতলী পর্যন্ত ব্যাপক ভাঙন হয়েছে বালিয়াড়ির।

সৈকতের দরিয়ানগর এলাকায় বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। ভেসে গেছে অনেক ঘরের আসবাবপত্র।  

সিত্রাং-পরবর্তী সাগর দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। বালিয়াড়ি কিংবা জিও ব্যাগে উঠে দেখছেন উত্তাল সাগর, তুলছেন ছবি। তবে ভয়ে কেউ নামছেন না সমুদ্রস্নানে। 

সিরাত আরা নামে একজন পর্যটক বলেন, ‘সাগর উত্তাল। এ কারণে সাগরে নামতে ভয় লাগছে। তাই দূর থেকে দেখে ছবি তুলছি।’

আরেক পর্যটক শফিউল আলম বলেন, ‘রাতে জোয়ারের পানির ভয়ে সাগর না দেখে হোটেলের রুমে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সকালে সৈকতপাড়ে এসে দেখি সবকিছু তছনছ অবস্থা। সৈকতের পুরো সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গেছে। বালিয়াড়িতে ময়লা আবর্জনা ভরা।’

সি সেফ লাইফ গার্ডের ইনচার্জ মোহাম্মদ সিরু বলেন, সাগর উত্তাল হওয়ায় এখনও পর্যটকদের নামার অনুমতি নেই। তাদের সমুদ্রস্নানে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। মাইকিং করে অনুরোধ করা হচ্ছে নির্দেশ মেনে চলার জন্য।

প্রশাসনের তৎপরতার কারণে এখানে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি বলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এটা প্রশাসনের সফলতা। তবে কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও সেন্ট মার্টিনে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। দ্রুত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কাজ শুরু করা হবে।

কক্সবাজারের ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠা এক লাখ মানুষ ফিরে গেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।


প্রবা/রাই/টিকে/এমজে

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা