প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ২২:৪৫ পিএম
আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ২২:৪৮ পিএম
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসবেন, তাই উৎসবের আমেজে সেজেছে নরসিংদী আর খুলনা। দীর্ঘ ১৯ বছর পর রবিবার (১২ নভেম্বর) নরসিংদী আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সকালে নরসিংদীর পলাশে ‘ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের’ উদ্বোধন করবেন তিনি। বক্তব্য দেবেন স্থানীয় সদর উপজেলার মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায়। স্থানীয় জনসাধারণের প্রত্যাশা, এ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা দেবেন।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) দীর্ঘ পাঁচ বছর পর খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখানে তিনি এ অঞ্চলের ২২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। দুপুর ২টায় তিনি ভাষণ দেবেন খুলনা সার্কিট হাউস মাঠের জনসভায়। নরসিংদী ও খুলনায় আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর এ জনসভা দুটিই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
১৯ বছর পর নরসিংদী আসছেন শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ নরসিংদী এসেছিলেন ১৯ বছর আগে ২০০৪ সালের ২২ এপ্রিল। সে সময় তিনি বিরোধী দলের প্রধান হিসেবে নরসিংদীর মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে জনসভা করেছিলেন। এবার তিনি নরসিংদী আসছেন সরকারপ্রধান হিসেবে। তাই জেলাবাসী প্রত্যাশা করছে, জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যে বক্তৃতা দেবেন, তাতে তাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণের দিকনির্দেশনা মিলবে।
আজ সকালে পলাশে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার কারখানা প্রকল্প উদ্বোধনের পর সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। দুপুরে তিনি অংশ নেবেন স্থানীয় মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম তালেব হোসেন জানিয়েছেন, এই স্টেডিয়াম মাঠের ধারণক্ষমতা ৫০ হাজার হলেও জনসভায় কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৯ বছর পর শেখ হাসিনাকে সরাসরি দেখার সুযোগ হওয়ায় আনন্দিত নরসিংদীর ২৪ লাখ মানুষ।
উদ্বোধন হবে আরও ১০ প্রকল্পের
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম জানান, ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জনসভায় নরসিংদী জেলায় নবনির্মিত ও সমাপ্ত দশটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এগুলোর মধ্যে আটটি শিক্ষা-সংক্রান্ত এবং বাকি দুইটি প্রকল্পের একটি স্থানীয় সরকার বিভাগ ও আরেকটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন-সংক্রান্ত।
পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নরসিংদীকে সাত স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে। স্থাপন করা হয়েছে পর্যাপ্তসংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। দায়িত্ব পালন করবেন সাড়ে সাত হাজার পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্য।
আশায় বুক বাঁধছেন নরসিংদীবাসী
এ প্রসঙ্গে নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক গোলাম মোস্তাফা মিয়া বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নরসিংদীর কৃষি ও শিল্পের ব্যাপক অবদান রয়েছে। তাই নরসিংদীতে শিল্পকেন্দ্রিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলে পুরো দেশই উপকৃত হবে। এই জেলার সবজি ও ফল রাজধানী ঢাকার ৪০ ভাগ চাহিদা পূরণ করছে। তাই এখানে কৃষকদের জন্য একটি সরকারি হিমাগার স্থাপনও আশু প্রয়োজন।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শাহিনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা হিসেবে নরসিংদীতে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম স্থাপন এখন সময়ের দাবি। এই উদ্যোগ ক্রীড়া ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এ ব্যাপারে নরসিংদীর তরুণ প্রজন্ম প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে।
শেখ রাসেল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব ও সাংবাদিক হলধর দাস জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তারা নরসিংদীতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আন্দোলন করে আসছেন। তারা প্রত্যাশা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ নরসিংদীতে শেখ রাসেল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেবেন।
এ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী ও নরসিংদী-৪ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে উন্নয়নের যে বিপ্লব ঘটিয়েছেন, নরসিংদী তার বাইরে নয়। তিনি নরসিংদীর পলাশে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ সার কারখানা নির্মাণ করেছেন। নরসিংদী বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বেলাবতে আরেকটি শিল্পনগরী স্থাপন প্রক্রিয়াধীন।’ তিনি বলেন, ‘নরসিংদীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং কৃষকদের উৎপাদিত সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন। আশা করছি, সমাবেশের মঞ্চ থেকে তিনি নরসিংদীবাসীকে নিশ্চয়ই এসব উপহার দেবেন।’
মেয়াদের দুই মাস আগে শেষ হয়েছে প্রকল্প
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মেয়াদের দুই মাস আগেই শেষ হয়েছে পরিবেশবান্ধব ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সারকারখানা’র নির্মাণকাজ। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক সার উৎপাদন কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছে কারখানাটি। দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ও গড়ে বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে কারখানাটিতে। এতে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।
পাঁচ বছর পর খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল দুপুর ২টায় খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দলীয় নেতাকর্মীরা আশা করছেন, এ জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে, এতে ১৫ লাখেরও বেশি জনসমাগম হবে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে গোটা খুলনা নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা জানান, জনসভাকে সফল করতে প্রতিদিনই শহরে প্রচার মিছিল করছেন নেতাকর্মীরা। নগরীজুড়ে দিনরাত চলছে মাইকিং, লাগানো হয়েছে পোস্টার, বিলবোর্ড, প্ল্যাকার্ড। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে রাতে আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে দুই সহস্রাধিক তোরণ। সার্কিট হাউস মাঠের আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রান্তে তৈরি করা হচ্ছে নিচে নৌকা ও ওপরে পদ্মা সেতুর আদলে ৯০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪০ ফুট প্রস্থের মঞ্চ। এতে অন্তত ৪০০ অতিথি বসতে পারবেন। মঞ্চের উচ্চতা সাড়ে ১৩ ফুট।
প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে বিশেষ ফোর্স ও খুলনা মহানগর পুলিশ। কেএমপি কমিশনার মোজাম্মেল হক জানান, জনসভাস্থলে পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করবে। সার্কিট হাউস মাঠ ও আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। গোটা নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে। লোকজন যাতে নির্বিঘ্নে জনসভায় আসতে ও ফিরে যেতে পারে, সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জনসভায় যোগদানে বিশেষ ব্যবস্থা
মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক জানান, সমাবেশের দিন সার্কিট হাউস মাঠে থাকবেন নারী কর্মীরা। পুরুষ নেতাকর্মীরা থাকবেন মাঠের চারপাশের সড়কগুলোতে। মাঠ ছাড়াও নগরীর কাস্টমস ঘাট থেকে শিববাড়ি মোড়, জেলখানা ঘাট, সদর থানার মোড়, হাদিস পার্ক ও হাজী মুহসীন রোডে মাইক দেওয়া হবে। শিববাড়ি মোড়, ময়লাপোতা বঙ্গবন্ধ চত্বর, রয়েল মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে এলইডি মনিটরে দেখানো হবে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ।
তিনি জানান, বাগেরহাট, পিরোজপুর ও গোপালগঞ্জ থেকে আসা পুরুষ নেতাকর্মীরা রূপসা ঘাটে নেমে ফেরিতে পার হবেন। আর নারী কর্মীদের বহনকারী বাস নগরীর নতুন বাজার পর্যন্ত আসবে। চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের নেতাকর্মীর জন্য ওই দিন সকালে একটি স্পেশাল ট্রেন খুলনায় আসবে। ওই দিন বিএনপি অবরোধ দিলেও কোনো অসুবিধা হবে না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে বাধা দেওয়ার সাহস তারা রাখে না।
উদ্বোধন করা হবে ২৪ প্রকল্প
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল খুলনা সার্কিট হাউস মাঠের জনসভাস্থল থেকে ২৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। শনিবার খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই শেষ হওয়া ২২টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রকল্পগুলোর তালিকা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উদ্বোধনযোগ্য এসব প্রকল্পের মধ্যে আটটি গণপূর্ত বিভাগের। এগুলো হলোÑ নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে ‘১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’-এর ভবন নির্মাণ, শামসুর রহমান রোডে সিভিল সার্জনের অফিস ভবন ও বাসভবন, খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন. খুলনা শিক্ষানবিশি প্রশিক্ষণ দপ্তর সংস্কার ও আধুনিকায়ন, বিএসটিআইর ১০ তলা আঞ্চলিক অফিস ভবন, বাংলাদেশ কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) খুলনা কেন্দ্রে ১০ তলাবিশিষ্ট নারী হোস্টেল ভবন, পাইকগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন এবং দৌলতপুরে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ৪ তলা ছাত্র হোস্টেল নির্মাণকাজ।
এ ছাড়া সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের আওতায় সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকো ট্যুরিজম) সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত শেখেরটেক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১০টি প্রকল্পের মধ্যে ডুমুরিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ তলা একাডেমিক কাম ৪ তলা প্রশাসনিক ও ওয়ার্কশপ ভবন নির্মাণ; বয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা কলেজিয়েট স্কুল, সরকারি এলবিকে ডিগ্রি মহিলা কলেজ, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, চালনা বাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তালিমুল মিল্লাত রহমাতিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, নজরুল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং আরআরএফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে ৬ তলা একাডেমিক ভবন এবং আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় প্রকল্প রয়েছেÑ ডুমুরিয়া উপজেলার চটচটিয়া-শিবনগর সড়কে ভদ্রা নদীর ওপর ৩১৫ দশমিক ৩০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণকাজ।
একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হবে খুলনা সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা উন্নয়ন ও পুনর্বাসন প্রকল্প এবং খুলনা শহরে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খালিশপুর বিআইডিসি রোডে ড্রেন, ফুটপাথ নির্মাণসহ রাস্তা প্রশস্তকরণ ও পুনর্নির্মাণকাজ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় নগরীর দৌলতপুরে অতিরিক্ত পরিচালকের ৬ তলাবিশিষ্ট নবনির্মিত অফিস ভবন।
এ ছাড়া ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য রয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাথাভাঙ্গা এলাকায় স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণকাজ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন দিঘলিয়া টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ৫ তলা একাডেমিক কাম ৪ তলা প্রশাসনিক ও ওয়ার্কশপ ভবন নির্মাণকাজ।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন মো. শামীম মিয়া, নরসিংদী, একেএম রেজাউল করিম, রায়পুরা ও সুনীল দাস চৌধুরী, খুলনা