× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্প

১৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে সাশ্রয় ৭ হাজার কোটি

সুবল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ১২:০২ পিএম

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:০৪ পিএম

চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমধুম রেললাইন। প্রবা ফটো

চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমধুম রেললাইন। প্রবা ফটো

২০১০ সালে চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমধুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার মিটারগেজ নতুন রেলপথের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। পরে ২০১৬ সালে প্রকল্পটি ডুয়েলগেজে রূপান্তরসহ নানা সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পর ব্যয় উন্নীত হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকায়। প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান বলছেন, ‘এই প্রকল্পে অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ১১ হাজার কোটি টাকায় শেষ হচ্ছে প্রকল্পের কাজ।’

অবশ্য এ মেগা প্রকল্পের অধীন দোহাজারী-কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মিত হয়েছে ১০২ কিলোমিটার। রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মিত হয়নি। প্রকল্পের অর্থ সাশ্রয়ের এটি একটি বড় কারণ। অতীতে বাংলাদেশের অন্য কোনো মেগা প্রকল্পে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে কি না নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই রেলপথে প্রায় ৩৮ শতাংশ অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।

১ হাজার ৮৫২ কোটির টাকা প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা হওয়ার বিষয়ে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘২০১০ সালে প্রথম প্রকল্পটি যখন নেওয়া হয়েছিল, তখন কোনো রকম ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল। তখন সিঙ্গেল মিটারগেজ লাইন নির্মাণের কথা ছিল। মিটারগেজ লাইনের ক্ষেত্রে জায়গাও কম লাগে। আর স্লিপারও ছোট। পরে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী মিটারগেজের পরিবর্তে ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর নতুন করে ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়। ফিজিবিলিটি স্টাডি অনুসারে ডাবল লাইনের ডুয়েলগেজ রেলপথের জন্য অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণসহ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়ায় ১৮ হাজার কোটি টাকায়। অবশ্য এখন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ নির্মিত হয়েছে। ভবিষ্যতে ডাবললাইন করতে হলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না।’ তিনি বলেন, ‘এখন ১৮ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে না। মূলত এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ১০ থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা সাশ্রয় হবে।’

গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন ও বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি দোহাজারী থেকে চকরিয়া পর্যন্ত অংশে কাজ পেয়েছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকার। আর চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অংশে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড কাজ পেয়েছে ৩ হাজার ৫০২ কোটি টাকার। এর বাইরে ১ হাজার ৩৯১ একর জমি অধিগ্রহণ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা। তিন খাতে মোট ১০ হাজার ১৯০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। অবশ্য প্রকল্পের বাকি ১০ শতাংশ কাজ শেষ করার পর এই অর্থ ব্যয়ের সার্বিক চিত্র পাওয়া যাবে। সব ধরনের ব্যয়ের পরও অন্তত ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল কালাম চৌধুরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘১০২ কিলোমিটার রেলপথে ৩৯টি সেতু এবং আন্ডারপাসসহ ২৫১টি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারে দৃষ্টিনন্দন আইকনিক স্টেশনসহ দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হারবাং, চকরিয়া, ডুলাহাজারা, ইসলামাবাদ, রামু স্টেশনের নির্মাণকাজও একদম শেষ পর্যায়ে। আগামী জুনের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করা হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা