কক্সবাজার-দোহাজারী রেললাইন উদ্বোধন
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব/নুপা আলম, কক্সবাজার থেকে
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ১০:৫৯ এএম
আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:০৪ পিএম
কক্সবাজার-দোহাজারী রেললাইন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটবে সেই প্রতীক্ষার। প্রবা ফটো
সমুদ্রশহর কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে কিছুক্ষণের মধ্যেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কক্সবাজার-দোহাজারী রেললাইন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটবে সেই প্রতীক্ষার। শনিবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার পর কক্সবাজারের ঝিলংজায় ঝিনুক আদলের ‘আইকনিক স্টেশনে’ পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী।
আইকনিক স্টেশনে আয়োজিত সুধীসমাবেশে বক্তব্য প্রদান ছাড়াও উদ্বোধন করবেন রেললাইন। তারপর ট্রেনে করে ঘুরবেন কিছু এলাকা।
এটা এক স্বপ্নপূরণের ইতিহাস হতে যাচ্ছে, আর সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে সুধীসমাবেশে আমন্ত্রিত মানুষের আগ্রহের যেন শেষ নেই। হেমন্তের সকাল থেকেই আইকনিক স্টেশনের পাশে সুধীসমাবেশের নির্ধারিত স্থানে আসতে শুরু করেছেন বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উচ্ছ্বসিত মানুষের সমাগম। সারিবদ্ধ হয়ে একে একে প্রবেশ করছেন আমন্ত্রিত মানুষ। বলছেন উচ্ছ্বাস, আবেগ ও স্বপ্নপূরণের কথা।
অনুষ্ঠানে আসা অ্যাডভোকেট রিদুয়ান আলী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আজ আমাদের স্বপ্নপূরণের দিন। কক্সবাজার-দোহাজারী রেলপথটি এ জনপদের দীর্ঘ ১৩৩ বছরের লালিত স্বপ্ন। আমরা তাই সাক্ষী হতে এসেছি।’
ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, ‘আজকের দিনটি কক্সবাজারবাসীর জন্য স্মরণীয়। আজ একটি ইতিহাস রচিত হচ্ছে। আমরা সংযুক্ত হতে যাচ্ছি রেলপথে। এর সাক্ষী আমি, আপনি, সবাই। অভিবাদন ও কৃতজ্ঞ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।’
কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিুবল ইসলাম বলেন, ‘১৯৩১ সালে ষোলশহর-দোহাজারী রেললাইনের কাজ শেষ হওয়ার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় ৯৩ বছর। ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা উদ্যোগ নেন দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার রেললাইনের, যা ২০১৭ সালে ঠিকাদার নিয়োগের পর সমাপ্ত হয়েছে ২০২৩ সালের এই নভেম্বরে ট্রায়ালের মাধ্যমে। এ রেলপথ পর্যটননগরী কক্সবাজারে পর্যটকসহ সবার যাতায়াত সহজ করবে। এ রেললাইনের মাধ্যমে একটি নতুন ইতিহাস রচিত হলো।’