রাঙামাটি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:২৭ পিএম
আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৩ ১৯:৩৩ পিএম
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা এম এন লারমার ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। এম এন লারমা প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। প্রবা ফটো
সাবেক সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহসভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অনেক সুন্দর জায়গা। সেটা আরও সুন্দর হবে সবাই মিলেমিশে একসঙ্গে বসবাস করতে পারলে।
তিনি বলেন, ‘পার্বত্য সমস্যা বুঝার চেষ্টা করুন। একটা ছোট পিঁপড়াও যদি শরীরে কামড় দেয়, ব্যথা করে। একটা সামান্য বিষফোঁড়া উঠলে বেশ যন্ত্রণা হয়। ঠিক তেমনি আমরা ছোট বলে, অল্পসংখ্যক লোক বলে আমাদের তাড়িয়ে দেওয়ার, উচ্ছেদ করার চেষ্টা করবেন না। আমরা বিচ্ছিন্নতাবাদী নই, আমরা স্বাধীনতা চাচ্ছি না। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন চাই।’
শুক্রবার (১০ নভেম্বর) পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এমএন লারমার) ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকালে রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙামাটি জেলা শাখা এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।
ঊষাতন তালুকদার বলেন, ‘এম এন লারমা একজন সত্যিকার সৎ, নিষ্ঠাবান, দেশপ্রেমিক ও মানবতাবাদী নেতা ছিলেন। তিনি যদি আজকে বেঁচে থাকতেন তাহলে আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম আরও অনেক সুচারুভাবে পরিচালিত হতো।’
স্মরণ সভার শুরুতে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক নগেন্দ্র চাকমা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা.গঙ্গা মানিক চাকমা। আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মনি চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিপন ত্রিপুরা প্রমুখ।
এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টায় রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে বনরুপা পর্যন্ত একটি প্রভাতফেরি বের করা হয়। পরে অস্থায়ীভাবে নির্মিত এম এন লারমা প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। এ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এমএন লারমার ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।