ধামরাই (ঢাকা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৯:২৯ পিএম
আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৩০ পিএম
যাদবপুর ইউনিয়নের আমরাইল রামভদ্রপাড়া এলাকায় ড্রেজার দিয়ে বংশী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। ফাইল ছবি
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযান চালিয়ে দুটি ড্রেজার ও ড্রেজারে ব্যবহৃত পাইপ জব্দ করেছে ধামরাই উপজেলা প্রশাসন। তবে ড্রেজারের সঙ্গে জড়িত কাউকে জরিমানা কিংবা আটক করতে পারেনি প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমরাইল এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইনে ‘ধামরাইয়ে অবাধে চলছে ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে আজ বৃহস্পতিবার ওই এলাকার মোট তিনটি ড্রেজারের মধ্যে দুটি ড্রেজারে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ও পাইপ জব্দ করা হয়। অন্ধকার হওয়াতে অন্য আরেকটি ড্রেজার জব্দ করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, যাদবপুর ইউনিয়নের ঘোমগ্রাম আমরাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নদী থেকে কয়েকটি ভেকু দিয়ে বালু কেটে ট্রাক দিয়ে বিক্রি করছে। এরপর আবার ওই প্রভাবশালীরা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর দুই পাশেই ব্যক্তিমালিকানার জমি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ অনেকের। প্রভাবশালীরা রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকায় ভুক্তভোগী জমির মালিকরা কিছুই বলতে পারছিল না।
অভিযানের পর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরে এই বালু ব্যবসা করে আসছিল প্রভাবশালীরা। এর আগে আরও সাংবাদিক এসেছিল। তারা কেউ সংবাদ করেনি। হয়তো তারা বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুবিধা পেয়েছিল। তবে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকা ও এর প্রতিনিধিকে ধন্যবাদ জানাই এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায়।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, ‘আমরা তিনটি ড্রেজারই পেয়েছিলাম। তবে সময়ের কারণে ও অন্ধকার হওয়ায় দুটি ড্রেজার ও পাইপ জব্দ করা হয়েছে। ড্রেজারের কাছে কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জরিমানা বা কাউকে আটক করা যায়নি।’