ভোলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৫:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মা-ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ ২০ জেলে। ২২ অক্টোবর রাতে সাগরে মাছ ধরার জন্য মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা বাজার লঞ্চঘাট থেকে এফবি রিনা-১ নামে একটি ট্রলার ২০ মাঝি ও জেলে নিয়ে মাছ ধরার জন্য গভীর সাগরে যায়। ২৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলার ফিরে এলেও ওই ট্রলারটি ফিরে আসেনি। ১৭ দিন পার হলেও সন্ধান না পাওয়ায় তাদের জীবন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন পরিবারের লোকজন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- ট্রলারের মাঝি জাহাঙ্গীর, শেখ ফরিদ , সিদ্দিক , শামীম , আলাউদ্দিন , আবুল খায়ের , বাতেন , ইয়াছিন , জয়নাল আবদীন , মিলন , ইসলাম আলী, ফিরোজ , সোহাগ, অলিউদ্দিন, সোহাগ আখন, সুমন, আবুল কালাম, আজাদ, ইয়াকুব আলী, নুর সর্দার। সবার বাড়ি মনপুরা উপজেলার ৪নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।
ট্রলারের মালিক আক্তার হোসেন বলেন, ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ২২ অক্টোবর রাতে মাছ ধরার জন্য ২০ মাঝি ও জেলে নিয়ে মাছ ধরার জন্য গভীর সাগরের যায়। ঘূর্ণিঝড় হামুনের কারণে অন্য মাছ ধরার ট্রলারগুলো ফিরে এলেও তার ট্রলারটি ফিরে আসেনি। ট্রলারের কারোর খোঁজ পাওয়া যায়নি। ট্রলার ও জেলে নিখোঁজের ঘটনায় ৩ নভেম্বর মনপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।
সর্বশেষ ২৪ অক্টোবর রাতে ট্রলারের মাঝি জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মোবাইলে অন্য এক মাঝির কথা হয়। এ সময় তারা বয়ার চরের কাছে অবস্থান করছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের পরে তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নিখোঁজ জেলে শেখ ফরিদের স্ত্রী কুলসুম বেগম জানান, মালিক পক্ষ অবরোধের মধ্যে সাগরে মাছ ধরতে নিয়ে তার স্বামীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে।
এ বিষয়ে মনপুরা থানা অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ জেলেদের সম্পর্কে মালিক পক্ষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মেসেজ দেওয়া হয়েছে।