শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৩ ২৩:৫৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি
গাজীপুরের শ্রীপুরে আব্দুল্লাহ-আল মামুন নামে এক ছাত্রলীগকর্মীকে মহাসড়কে গাড়ি পোড়ানো মামলায় আসামি করা হয়েছে। সোমবার তাকওয়া পরিবহনের মালিক স্বপন আহমদ বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় বিস্ফোরক আইনে ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার মোট ২৭ জন আসামির মধ্যে মামুনকে ১৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ-আল মামুন শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরমী গ্রামের মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি বরমী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী বলে নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুরাদ হোসেন।
ছাত্রলীগকর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক রুমানা আলী টুসি এমপির (সংরক্ষিত নারী আসন-১১৪) সমর্থনে যুবলীগ নেতা শরিফ হায়দা মৃধার নেতৃত্বে শান্তি মিছিলে অংশ নিই। ওই দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যুবলীগ নেতা হায়দার মৃধার সঙ্গেই ছিলাম। কিন্তু শ্রীপুর পৌরসভার বেরাইদেরচালা এলাকায় তাকওয়া পরিবহনের একটি বাস ভাংচুরের মামলার আমাকে ১৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
বরমী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা জানান, মামুন তাদের একজন সক্রিয় দলীয় কর্মী। মামলায় দায়েরের দিন সোমবার মামুন আওয়ামী লীগের নির্ধারিত শান্তি মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
বরমী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুরাদ হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘ সাত বছর বরমী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। আব্দুল্লাহ-আল মামুন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। চক্রান্ত করে কোনো এক স্বার্থান্বেষী মহল তাকে গাড়ি পোড়ানো মামলায় আসামি করেছে।
বরমী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফ হায়দার মৃধা বলেন, ছাত্রলীগকর্মী আব্দুল্লাহ-আল মামুন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। মামলার এজাহারে গাড়ি ভাংচুরের যে সময় দেখানো হয়েছে ওই সময় তিনি আমার বাসায় ছিলেন।
মামলার বাদী তাকওয়া পরিবহনের মালিক স্বপন আহমেদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রসিভ না করায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল ফজল মো. নাসিম বলেন, বাদীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে মামলাটি রুজু করা হয়েছে। তিনি এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের আসামি করা হয়েছে। তদন্তের পর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া না গেলে মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।