চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৩ ০০:১২ এএম
আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৩ ১১:০৫ এএম
টানেল দেখতে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতির কারণে যানজট তৈরি হয়। প্রবা ফটো
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধনের প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চট্টগ্রামবাসীর ঢল নেমেছিল যেন পতেঙ্গা মোড়ে। টানেল দেখতে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতির কারণে যানজটের বিড়ম্বনাও সইতে হয়েছে দর্শনার্থীদের।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পতেঙ্গা মোড় থেকে আউটার রিং রোড পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। তবে পুলিশ বলছে, টানেলের প্রবেশমুখেই পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোয় সমুদ্রসৈকতে কয়েক হাজার লোক আসেন। টানেলের জন্য এ সংখ্যা আরও বেড়েছে। ফলে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
উদ্বোধনের প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড় ছিল জানান বঙ্গবন্ধু টানেলের সহকারী প্রকৌশলী তানভীর রিফা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু টানেল হয়ে প্রচুর গাড়ি পার হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮ হাজার ১৬টি গাড়ি টানেলে পাড়ি দিয়েছে। এ সময় পর্যন্ত টোল আদায়ের পরিমাণ ১৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
বঙ্গবন্ধু টানেল দেখতে আসা এরশাদ উল্লাহ নামে এক দর্শনার্থী বলেন, ‘বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আউটার রিং রোড হয়ে টানেলে প্রবেশ করার জন্য পতেঙ্গা মোড়ের প্রায় ১ কিলোমিটার আগেই যানজটে পড়ি। প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ৫টার দিকে টানেলে প্রবেশ করি।’
আবদুল্লাহ আল মামুন নামে আরেক দর্শনার্থী বলেন, ‘বিকাল ৪টার পর থেকে শত শত গাড়ি টানেল পারাপার হচ্ছে। প্রায় দুই ঘণ্টা যানজট কাটিয়ে টানেলে প্রবেশ করি। টানেলের ভেতরেও ছিল গাড়ির জট। তবে টানেল পাড়ি দিতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। নদীর তলদেশে কীভাবে এ টানেল নির্মাণ করেছে, এটা ভেবে সত্যিই আমরা অবাক।’
পতেঙ্গা মোড়ে যানজট প্রসঙ্গে পতেঙ্গা থানার ওসি আফতাব হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ছুটির দিনগুলোয় পতেঙ্গা মোড় ও আশপাশ এলাকা জমজমাট থাকে। শুক্রবার পতেঙ্গা সমুদ্র দেখতে গড়ে ৮ থেকে ১০ হাজার লোক আসেন। এখন যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। ফলে আজ গাড়ির চাপ ছিল প্রচুর। কোনো সমস্যা ছাড়াই সব গাড়ি ঠিকঠাক গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছে।’