আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:৩০ পিএম
গ্রেপ্তার তিন ডাকাত। প্রবা ফটো
ঢাকার আশুলিয়ায় তুরাগ নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডে ডাকাতি করতে এসে নিজেদের ট্রলার বিকল হয়ে তিন ডাকাত গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা আরও দুই ডাকাত নদী সাঁতরে পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তার তিনজনকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। সকালে আশুলিয়া থানার এসআই আরাফাত উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে আশুলিয়ার তুরাগ নদের পাড়ে পরিত্যক্ত রচনা ইট খোলা থেকে স্থানীয়রা তাদের আটকের পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার, চাপাতি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- পাবনার সাঁথিয়া থানার আটিয়াপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান, শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার পন্ডিসা গ্রামের মো. বাবু ও পটুয়াখালীর সদর থানার সারিরখালী গ্রামের মো. আসলাম। বর্তমানে তারা গাজীপুর ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। এ ঘটনায় ডাকাত দলের দুই সদস্য নান্নু ও রানা নামে দুইজন পলাতক রয়েছে।
এসআই আরাফাত উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে একদল ডাকাত তুরাগ নদীতে ট্রলার নিয়ে একটি বাল্কহেডে ডাকাতির উদ্দেশ্যে আসে। এসময় তারা ভুক্তভোগীদের জিম্মি করে নগদ অর্থ নিয়ে পালানোর সময় তাদের ট্রলারের ফ্যানটি ভেঙ্গে যায়। পরে তিন ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই দেয় ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা। তবে আরও দুই ডাকাত পানিতে লাফিয়ে পরে সাঁতার কেটে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা ডাকাতির কথা স্বীকার করেছে। তারা নদীতে থাকা জেলে, বালুর ট্রলার ও নদী তীরবর্তী এলাকায় বিভিন্ন সময় ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি এস এম কামরুজ্জামান বলেন, এই চক্রটি এখানে আগের কোনো ডাকাতির ঘটনায় জড়িত কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।