ঘূর্ণিঝড় হামুন
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৪:২৮ পিএম
আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৪:৫৫ পিএম
চকরিয়া ও পেকুয়ায় ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক ঘণ্টার দমকা হাওয়ায় দুই উপজেলার ২৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় সিডর ও মোখাকে হার মানিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে দুই উপজেলায় অন্তত ৫০০ বসতঘর ভেঙেছে। এ ছাড়া ব্যাপক গাছপালা ভেঙে সড়কে উপড়ে পড়ে আছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে দুই উপজেলা। এসব তথ্য জানিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান।
তিনি জানান, ফোন ও ইন্টারনেটসংযোগ বেশিরভাগ এলাকায় নেই। তবে কোথাও বিদ্যুৎসংযোগ থাকলেও এই আছে এই নেই অবস্থা। সড়কের ওপর গাছ উপড়ে থাকায় অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি সচল হয়নি। হামুনের আঘাতে ফসলি জমির ধান-সবজিসহ অন্য ফসলেরও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তা ছাড়া পহরচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও ক্ষতি হয়েছে।
পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, চকরিয়া-পেকুয়ায় পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। চালু করতে কয়েক দিন সময় লাগবে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, ‘রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার দমকা হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ক্ষতির বিবরণ লিখিত দিতে। সরকারি অফিসারদের নিয়ে গঠিত একাধিক টিমও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে।’