× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঘূর্ণিঝড় হামুন

কক্সবাজারে বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্ক সচলে কাজ করছে প্রশাসন

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৩:৫২ পিএম

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৪:১০ পিএম

ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুতের তারসহ রাস্তা বন্ধ রয়েছে। প্রবা ফটো

ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুতের তারসহ রাস্তা বন্ধ রয়েছে। প্রবা ফটো

ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে এখন অচল হয়ে পড়েছে কক্সবাজার। নেই বিদ্যুৎ, নেই মোবাইল নেটওয়ার্কও। একই সঙ্গে সড়ক- উপসড়কে গাছ উপড়ে যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে জরুরিভিত্তিতে বিশেষ বিশেষ এলাকায় বিদ্যুৎসংযোগ  চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মোবাইল অপারেট সমূহের সঙ্গে আলাপ চলছে দ্রুত সময়ে নেটওয়ার্কের সমস্যা সমাধান করতে। বিদ্যুৎ আর মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল থাকলে দ্রুত সময়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে তিনজনের প্রাণহানিসহ অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলায় ভেঙে গেছে কমপক্ষে আড়াই হাজার ঘর। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে জরুরিভিত্তিতে বিশেষ বিশেষ এলাকায় বিদ্যুৎসংযোগ চালু এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সচলকে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানান, ঘূর্ণিঝড় হামুনের সবচেয়ে বড় আঘাত হয়েছে প্রকৃতির ওপর। ঠিক কী পরিমাণ গাছ ভেঙে গেছে তার সঠিক পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অন্তত ১৫টি স্থানে গাছ ভেঙে গেছে বলে জানতে পেরেছি। যেসব গাছ ভেঙে রাস্তায় পড়ে আছে তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কের পরিস্থিতি এখনও পুরোদমে স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। সড়ক বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস এসব এলাকায় কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক। প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা গেছে, বিদ্যুৎ সব এলাকায় চালু করতে দুই দিনের বেশি সময় লাগবে। এ মুহূর্তে সন্ধ্যার পর কক্সবাজার শহর, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়ায় বিশেষ বিশেষ এলাকায় বিদ্যুৎ চালু করতে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আলাপ চলছে। তবে মহেশখালী উপজেলায় ১৫টি ট্রান্সফরমার, শতাধিক খুঁটি ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। এ পরিস্থিতিতে ওই সব এলাকায় বিলম্ব হতে পারে।

মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানতে কাজ চলছে। কিন্তু মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় জানতে বিলম্ব হচ্ছে। মোবাইল অপারেটর সমূহের সঙ্গে আলাপ করে দ্রুত নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক করতে বলা হয়েছে। এটা হলে ক্ষয়ক্ষতির খবর দ্রুত পাওয়া যাবে। এ মুহূর্তে তিনজনের মৃত্যুসহ আড়াই হাজার ঘর ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি।

কক্সবাজারের মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক জানান, মহেশখালীতে একজনের মৃত্যু ও সাপের কামড়ে তিনজন আহত হয়েছেন। ক্ষতির পরিমাণ এখন বলা মুশকিল। দুই উপজেলায় ব্যাপক গাছ ও ঘর ভেঙে গেছে। 

কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের গণি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে উপড়ে গেছে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি। তার ছিঁড়ে রাস্তাঘাট ও বসতিতে পড়ে আছে। এখন বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলে প্রাণহানি ঘটতে পারে, তাই আপাতত বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন তিনটি সাব-স্টেশন চালু করা হয়েছে। প্রধান সড়কগুলোতে কাজ শেষ হলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান সড়কে বিদ্যুৎসংযোগ চালু করা সম্ভব হবে। আর পুরো কক্সবাজারে বিদ্যুৎ চালু হতে অন্তত দুই দিন সময় লাগবে।’

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ অতীশ চাকমা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে হাজার হাজার গাছ উপড়ে গেছে। যার কারণে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। কিন্তু রাত ৩টা পর্যন্ত কাজ করে এসব মহাসড়ক ও সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এখন শহরের সড়ক-উপসড়কগুলো থেকে উপড়ে পড়া গাছ কেটে, তা সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে। কিছুটা সময় লাগবে, কারণ অনেক বেশি গাছ উপড়ে সড়কে পড়েছে। চেষ্টা করছি, দ্রুত সরিয়ে সড়কে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা