মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১০:১৪ এএম
আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৫৪ এএম
স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে মোংলায়। প্রবা ফটো
ঘূর্ণিঝড় হামুন উপকূল অতিক্রম করলেও সুন্দরবনসহ মোংলা উপকূলীয় এলাকায় এর কোনো প্রভাব পড়েনি। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুর্বল অবস্থায় কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। শঙ্কা কেটে যাওয়ায় মোংলা সমুদ্রবন্দরে জারি থাকা ৫ নম্বর বিপদসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এর আগে মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় হামুনের কারণে মোংলা সমুদ্রবন্দরে ৫ নম্বর বিপদসংকেত জারি করা হয়। এর ফলে সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে। তবে এদিন সকাল থেকেই আবহাওয়া পরিস্থিতি খুবই স্বাভাবিক থাকায় স্থানীয়রা আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি।
মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দীপংকর দাশ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় হামুন মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবারসহ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কোনো আলামতই এখানে তৈরি হয়নি। মঙ্গলবার এটি কক্সবাজার অতিক্রম করায় পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত হয়েছে এ এলাকার মানুষ।’
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় একটি কন্ট্রোলরুম খোলা হলেও বন্দরে অবস্থানরত ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজের কাজ বন্ধ রাখা হয়নি। কারণ ঝড়ের কোনো আলামত দেখা যায়নি।
মোংলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. হারুন অর রশিদ বলেন, বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় হামুন উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে। পরে এটি দুর্বল হয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি স্থলভাগের অভ্যন্তরে আরও অগ্রসর ও বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। এর ফলে মোংলা সমুদ্রবন্দরে ৫ নম্বর বিপদসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।