× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

৭৫ টাকার প্রজনন বীজ কিনতে হয় হাজারে

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১৩:৩৩ পিএম

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:১২ পিএম

৭৫ টাকার প্রজনন বীজ কিনতে হয় হাজারে

গবাদি পশুর জাত উন্নয়ন করার লক্ষ্যে গরুর কৃত্রিম প্রজনন বীজের মূল্য ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নাটোরের বাগাতিপাড়ায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, হাসপাতালে ৭৫ টাকাই নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু মাঠকর্মীরা খামারিদের বাড়িতে গিয়ে কত নিচ্ছেন, তা জানা নেই। 

স্থানীয় খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশীয় বা ক্রস জাতের গাভি কিনে দুধ ও মাংস উৎপাদনের জন্য জাত উন্নয়নে কৃত্রিম প্রজনন করা হয়। একবার প্রজনন করলে কোনো কারণে গর্ভধারণ না হলে এক বা দুই মাস পর পুনরায় প্রজনন করতে হয়। এক্ষেত্রে গরু খামারিকে প্রথমবার প্রজননের জন্য ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা দিতে হয়। আর দ্বিতীয়বারের জন্য ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, উপজেলায় সরকারিভাবে কৃত্রিম প্রজননে প্রতিবছর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে সিমেন (বীজ) বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪ হাজার ৭৪০। এই সিমেন পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় একজন উপসহকারী কর্মকর্তা ও সাতজন মাঠকর্মীর মাধ্যমে গবাদি পশুর কৃত্রিম প্রজনন করানো হয়। সরকারিভাবে প্রতিটি ফ্রিজিয়ান এবং শাহিয়াল জাতের বীজ ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

হাটগোবিন্দপুর গ্রামের খামারি আব্দুল বারেক বলেন, ‘গরুর প্রজননের সময় পার্শ্ববর্তী এক খামারির মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। সরকারি বীজ নিতে ৭০০ টাকা দিতে হয়েছে। গরুর ক্ষেত্রে প্রথমবার প্রজননে গর্ভধারণ করায় পরে আর বাড়তি খরচ করতে হয়নি। তবে কোনো কারণে প্রথমবার প্রজননে গরুর গর্ভধারণ না হলে পরে আবারও প্রজনন করতে ৬০০ টাকা খরচ করতে হয়।’

গালিমপুর গ্রামের বাসিন্দা সেকেন্দার আলী জানান, মাঠকর্মী তার গাভিকে প্রথম দিন সকালে ও বিকালে দুবারে প্রজননের ডোজ দিয়েছে। দুই ডোজে দিতে হয়েছে ৮০০ টাকা। তাতেও তার গাভির প্রজনন না হওয়ায় কিছুদিন পরে আবার ৪০০ টাকা দিয়ে নতুন করে প্রজনন করাতে হয়েছে। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কৃত্রিম প্রজননকারী (এফএএআই) নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘হাসপাতালে গাভির কৃত্রিম প্রজননের জন্য সরকার নির্ধারিত ৭৫ টাকা নিয়ে থাকি। কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র থেকে দূরত্বের হিসেবে ১০০-১৫০ টাকা বেশি নিয়ে থাকি। এ ছাড়া নির্ধারিত কেন্দ্রে এলে ৭৫ টাকাই নেওয়া হয়।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু হায়দার বলেন, ‘মাঠকর্মীরা প্রতি মাসে সামান্য ২ হাজার টাকা করে সম্মানী পান। তারা অনেকটা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। আমাদের কাছ থেকে কর্মীরা সিমেন নিয়ে সরকারি নির্ধারিত দামে প্রতি সিমেন ৭৫ টাকা জমা দিয়ে থাকেন। গবাদি পশু নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে এলে ৭৫ টাকা করেই নেওয়ার কথা। এ ছাড়া কেন্দ্রের বাইরে বা গবাদি পশুর মালিকদের বাড়িতে গেলে কত টাকা নিতে পারবেন, তা জানা নেই।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা