বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৮:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৯:৩৩ পিএম
ড্রেন থেকে কারারক্ষীর মরদেহ উদ্ধার করার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয়রা ভিড় করে। প্রবা ফটো
বগুড়া কারাগারের সীমানাপ্রাচীরের বাইরের ড্রেন থেকে কারারক্ষীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি কীভাবে মারা গেলেন, তার লাশ ড্রেনে গেল কীভাবে, সেসব প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘটনাস্থল তাদের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় ছিল না।
ওই কারারক্ষীর নাম একরামুল হক। তিনি নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার কান্দা গ্রামের বাসিন্দা। একরামুল বগুড়া কারাগারের ব্যারাকে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) স্নিগ্ধ আখতার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ’কারাগারের ১ নম্বর গেটসহ সীমানাপ্রাচীরের বাইরে প্রায় সবগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। মৃত্যুর কারণ জানতে আমরা পুরো বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখব। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল করা হবে এবং তারপর ময়নাতদন্ত করা হবে। পুলিশের একাধিক টিম এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।‘
কারাগারের জেলার পদে কর্মরত ফরিদুর রহমান রুবেল বলেন, ’সীমানাপ্রাচীরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ২ নম্বর গেট এলাকায় বুধবার রাত ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে যান একরামুল হক। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে হারেজ নামে রিজার্ভ হাবিলদার আমাকে বলেন, কারারক্ষী একরামুলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারপর খুঁজতে গিয়ে বেলা ৩টার দিকে ২ নম্বর গেটসংলগ্ন ড্রেনের ভেতরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর পরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।’
বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে একরামুলের কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পর তার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য কেন ১১ ঘণ্টা পর বেলা ২টায় পাওয়া গেল, এমন প্রশ্নের জবাবে জেলার ফরিদুর রহমান রুবেল বলেন, ’একরামুলের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর সেখানে মামুন নামে অপর এক কারারক্ষীর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। কিন্তু পরে জেনেছি যে অসুস্থতার কারণে মামুন দায়িত্ব পালন করেনি।’
কারারক্ষী মামুনের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ’মামুন বর্তমানে ডিউটিতেই আছেন।’
নিহত কারারক্ষী একরামুলের শ্যালক রবিউল ইসলাম জানান, আমার ভগ্নিপতির তেমন কোনো অসুখ ছিল না।