চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ২১:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ২২:১৯ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন অভিহিত করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা পেরিয়ে সমগ্র দেশে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য আমরা গর্বিত। বিশ্বের বড় বড় অপারেটর চট্টগ্রাম বন্দরে কাজ করতে চায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর, বঙ্গবন্ধু টানেল, পদ্মা সেতু, ঢাকায় তৃতীয় বিমানবন্দর টার্মিনাল, পায়রা পোর্ট, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যখন নির্মিত হচ্ছে, তখন স্বার্থান্বেষীরা দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা মানবাধিকারের কথা বলে উন্নয়নকে টেনে ধরতে চায়। তাদের বিষয়ে সবাই সতর্ক থাকুন।’
রবিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বন্দর স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ’বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ অন্ধকারে চলে গিয়েছিল। দেশ আলোর মুখ দেখেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন অন্ধকার থেকে আলোর পথে উঠে এসেছে। আমাদের আলোর পথের দিশারি হলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তার নির্দেশনায় চট্টগ্রাম বন্দর দেশে অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আগামীতে আরও বেশি ভূমিকা রাখবে।’
এর আগে এনসিটি টার্মিনালে সংযুক্ত চারটি কি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ২৪টি নতুন যন্ত্রপাতির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামার জন্য তিনটি টার্মিনাল রয়েছে। এগুলো হলো, জেনারেল কার্গো বার্থ, চট্টগ্রাম কন্টেইনার টার্মিনাল ও নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল। এই তিন টার্মিনালে নতুন ১০টি গ্যান্ট্রি ক্রেন যুক্ত হওয়ার পর এখন চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য উঠানো-নামানোর কাজে যুক্ত আছে ৬৫টি গ্যান্টি ক্রেন। এর মধ্যে ১৮টি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন। বাকিগুলো রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন।
নতুন যন্ত্রপাতি উদ্বোধনের পর মন্ত্রী বন্দর ট্রেনিং কমপ্লেক্সে স্থাপিত ট্রেনিং সিমুলেটর ও নবনির্মিত অফিসার্স ডরমেটরি ভবন উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি বন্দর স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৬তম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যান।