বিএনপির রোডমার্চ বৃহস্পতিবার
ফেনী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৩ ১৮:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৫৩ পিএম
ফাইল ছবি।
সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে বিএনপির চলমান রোডমার্চ কর্মসূচি বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম গিয়ে শেষ হচ্ছে। এ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে মুখিয়ে আছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে রোডমার্চ সফল করতে কয়েক দফায় প্রস্তুতি সভা করেছে দলটি। তবে নেতারা ফেনীর এ কর্মসূচি ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, ১৫০ কিলোমিটারের এ রোডমার্চ কুমিল্লা থেকে শুরু হয়ে ফেনী, মিরসরাই হয়ে চট্টগ্রামে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। এতে মোট চারটি পথসভা করা হবে। সকাল ১০টায় প্রথম সভাটি হবে কুমিল্লায়। এই সভা শেষে রোডমার্চ রওনা হবে ফেনীর পথে। ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের দক্ষিণাংশে হবে দ্বিতীয় জনসভা। তৃতীয়টি হবে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা সদরে। এরপর চট্টগ্রাম নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনসংলগ্ন কাজীর দেউড়ি মোড়ে সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হবে।
কর্মসূচিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
ফেনীর কর্মসূচিতে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিএনপি নেতারা। জেলা বিএনপি সূত্র জানায়, কুমিল্লা থেকে ফেনীর প্রবেশপথ শর্শদী, মোহাম্মদ আলী, ধর্মপুর, ফতেহপুর, লেমুয়া, ছনুয়া, ফাজিলপুর ও সমিতি বাজার এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বহরে হামলা করতে পারে। এমন আগাম খবর পেয়ে দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল বলেন, ’ফেনীর কয়েকটি স্থানে সংঘাতের আশঙ্কা করছি। এর আগেও এ জায়গাগুলোতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করেছে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, ’এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা কর্মসূচি বানচালের পাঁয়তারা করছে। আমাদের কর্মসূচিতে হামলা করবে এমন খবরও পাচ্ছি। তবুও সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে রোডমার্চ সফল করতে মরিয়া হয়ে আছে।’
তবে এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক একে শহীদ উল্ল্যাহ খোন্দকার বলেন, ’এ ধরনের অভিযোগ একদম ভুয়া। আওয়ামী লীগ সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তারা তাদের কর্মসূচি পালন করবে, সেখানে আমাদের কোনো বিষয় নেই।’
পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, ’রোডমার্চে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই। মাঠপর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালনে সংঘাত এড়াতে পুলিশ প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে।’