প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:৫১ পিএম
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:২৫ পিএম
'বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যাকারী জিয়ার গুম-খুন ও খালেদা জিয়ার অগ্নি সন্ত্রাসের ভূলুণ্ঠিত মানবাধিকার' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘মায়ের কান্না’ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সভাটি হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা নাহিদ এজাহার খান। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, একুশের পদপ্রাপ্ত মানবাধিকার কর্মী এসএম আব্রাহাম লিংকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসপি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
এছাড়াও ভুক্তভোগীর ছেলে, মেয়ে, মা, বাবা এবং ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পূর্বে ‘গণদাবি-৭৭’ এবং ‘অগ্নি সন্ত্রাসের আর্তনাদ’ নামক দুইটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হাজার হাজার সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যকে হত্যা করে তাদের লাশ গুম করে। বক্তারা অন্যায় ভাবে ফাঁসি, কারাদণ্ড ও চাকরিচ্যুত করার অপরাধে খুনি জেনারেল জিয়ার মরণোত্তর বিচারের দাবি জানান।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, কিছু দেশ আমাদের মানবতা ও মানবাধিকারের কথা বলে কিন্তু ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল তখন কোথায় ছিল মানবতা? তিনি জিয়াউর রহমানকে খুনি আখ্যায়িত করেন এবং তার সময় গুম, খুন বিনা বিচারে হত্যা শুরু হয় বলে বলেন। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশে খুনের রাজনীতি শুরু করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ২১ বার হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ট্রুথ কমিশন গঠন করে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতা এবং ১৯৭৭ সালে সেনা ও বিমান বাহিনীর গর্বিত সৈনিকদের হত্যাকারীদের মরণোত্তর বিচারের দাবি জানান। এছাড়া অবৈধ গুম ও খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এ সরকারকে আহ্বান জানান। গুম, খুন ও অগ্নি সন্ত্রাসকারী দল যাতে আগামীতে আর কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।