× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অধিদপ্তরে অভিযোগ, জানেন না স্বাক্ষরকারীরা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬:৪৪ পিএম

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:৩৭ পিএম

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরা। প্রবা 
ফাইল ফটো

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরা। প্রবা ফাইল ফটো

ঢাকার ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরার বিরুদ্ধে কোভিডের সময় টিকাদান ক্যাম্পেইনের টাকা আত্মসাৎ, হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ, বিভিন্ন সময় হয়রানি, অশালীন আচরণ ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে ৭২ স্বাস্থ্য কর্মীর সই রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো আবেদনটিতে উপজেলার সিএইচসিপি, স্বাস্থ্য সহকারী ও সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শকদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এএইচআই) নাজমুন নাহার। তবে নিজেদের স্বাক্ষর থাকলেও এ চিঠির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি বেশিরভাগ স্বাক্ষরকারীর। তাদের অভিযোগ, নাজমুন নাহার বিষয়টিতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন।

স্বাক্ষরকারীরা বলছেন, রিফাত আরার বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে সই দিয়েছিলেন প্রায় দেড় মাস আগে। সই দেওয়ার পরে বিষয়টি তখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় মিটমাটও হয়ে যায়। এরপর চিঠিটি ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত ওই চিঠিটি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে- তারা এমনটি জানলেও আসলে সেটি ছেড়া হয়নি। বিষয়টি সমাধান হওয়ার পরও সেই চিঠিই নতুন করে ব্যবহার করেছেন স্বাস্থ্য সহকারী নাজমুন নাহার। তবে এ বিষয়ে জানতেন না চিঠিতে সই থাকা স্বাস্থ্য কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে এ অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠিটি পাঠান নাজমুন নাহার। এর প্রতিলিপি পাঠানো হয় ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন), ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছেও।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেন নূর-ই রিফাত আরা। যোগ দিয়ে তিনি হাসপাতালে টোকেন মানি, অতিরিক্ত ফি নেওয়া বন্ধে উদ্যোগ, দালাল চক্র উচ্ছেদ ও মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। এ নিয়ে একপর্যায়ে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের নিজেদের প্রতিবেদন করার নিয়ম থাকলেও অনেকেই তা করান অধস্তন কর্মীদের দিয়ে। টিকা ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালনা না করেই প্রতিবেদন দেন। এমন কিছু অভিযোগে মাঠ পর্যায়ের একাধিক কর্মী একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিসও পেয়েছেন। গত ১২ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন উপসচিব ধামরাইয়ে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে যান। সেখানে স্বাস্থ্য সহকারী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার অনুপস্থিত থাকেন। এজন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করেন। এসব নিয়ে নাজমুন নাহারসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।

জানা গেছে, ২২ জুলাই মাসিক সমন্বয় সভায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের’ নালিশ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় অভিযোগ দিতে ৭২ জন কর্মচারির সই নেওয়া হয়। তবে দুই দিন পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মিটমাট হয়। ওই সময় নাজমুন নাহার জানান, রিফাত আরার বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত চিঠিটি ছিঁড়ে ফেলেছেন।

তবে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সবাই জানতে পারেন, পুরনো সেই অভিযোগের সঙ্গে আরও অভিযোগ যুক্ত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছেন নাজমুন নাহার।

৭২ জন স্বাক্ষরদাতার মধ্যে ৪৮ জন কমিউনিটি হেলথ্ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি)। এর মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তারা সবাই জানিয়েছেন, দেড় মাস আগে যে সই নেওয়া হয়েছিল এবং যে চিঠি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলা হয়েছিল- সেটিই নতুন করে ব্যবহার করা হয়েছে। পুরনো চিঠি দিয়ে অভিযোগ করা হবে তা জানতেন না তারা।

পাঁচটি অভিযোগ সংবলিত চিঠির বিষয়ে সিএইচসিপি ধামরাই উপজেলা কমিটির সভাপতি সুলতান আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি জানতাম না। যে ঘটনা সেটি সবার নয়। তার (স্বাস্থ্য সহকারী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার) ব্যক্তিগত বিষয়। বিষয়টি সমাধান হয়েছিল। আমাদের না জানিয়ে অভিযোগের বিষয়ে আমরা সবাই একত্র হয়ে সবাইকে জানাব।’

নাজমুন নাহারের ভাষ্য

অভিযোগকারী নাজমুন নাহার বলেন, ‘১২ জুলাই সভা ছিল। সভায় স্বাস্থ্য উপসচিব ছিলেন। তিনি আমাদের অফিস ভিজিট করেন। আমরা সেখানে যাইনি। তাই পরের দিন স্যার (স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিফাত আরা) আমাদের ডেকে অকথ্য গালিগালাজ করেন। এরপর জুলাই মাসের ২২ তারিখ একটা বৈঠক হয়। সেখানে তিনি সিএইচসিপিদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে আমাদের কয়েকজনকে ইনসাল্ট করা হয়। এছাড়া আমাদের কোভিডের সময়ের কাজের (কোভিডে টিকাদান ক্যাম্পেইন ভাতা) টাকাও দেওয়া হয়নি। সেদিনই আমরা সবার স্বাক্ষর নেই। সেদিন আমরা তার বৈঠক বর্জন করি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘সেদিন তিনি আমাদের ধমক দিচ্ছিলেন। তখন আমরা অভিযোগ দেইনি। আমরা পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তারপর অভিযোগ জমা দেই। এখানে যারা চাকরি করেন সবাই শিক্ষিত। তারা মুর্খ নন। জেনে বুঝে চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন সবাই। তার (রিফাত আরা) আন্ডারে আমরা কেউ কাজ করতে আগ্রহী না।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ আছে কিনা- প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘২০২২ সালের টাকা তিনি এ বছর দিচ্ছেন। আগে দেয়নি কেনো? কর্মীরা কাজ করছে, টাকা চায়। কিন্তু দেয়নি। উনি যা বলে তা সত্য নয়।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কবে কবে অসদাচরণ করেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত ১২ জুলাই ও ১৭ মার্চ তিনি খারাপ আচরণ করেন। তাই অভিযোগ করেছি। উনি মিথ্যা কথা বলেন।’

দেড় মাস আগে স্বাক্ষর নেওয়া চিঠি দিয়ে নতুন করে অভিযোগ দেওয়ার বিষয়ে স্বাক্ষরদাতারা জানেন কিনা- জানতে তিনি দাবি করেন, ‘সবাই জানে। সবাইকে জানানো হয়েছে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে যা বলছেন হাসপাতালকর্মীরা

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে অসদাচরণ, অপমান করা ও ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে। বাকি দুটিতে তোলা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। তবে অভিযোগের সঙ্গে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ যুক্ত করা হয়নি। যদিও অভিযোগকারী নাজমুন নাহারের কাছে তথ্য-প্রমাণ আছে কিনা- জানতে চাইলে বলেন, ‘দুইটি বিষয়ই সবাই জানে।’

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় কয়েকজনের সঙ্গে। রিফাত আরার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে নার্স সুপারভাইজার জাহানারা আক্তার বলেন, ‘আমরা কোভিডের সময়ের টাকা পেয়েছি। আর আচরণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যেটুকু প্রয়োজন তিনি করেন। খারাপ আচরণ পাইনি।’

কোভিডের সময় টিকাদান ক্যাম্পেইন ভাতার টাকা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট আনোয়ার হোসেন, কর্মকর্তা ইসহাক মিয়া ও আবাসিক চিকিৎসক তিতাসও। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের বিষয়েও তাদের বক্তব্য একইরকম। এমন কোনো অভিযোগ তাদের নেই বলে জানান।

অভিযোগের নেপথ্যে কে

জানা গেছে, অভিযোগটি স্বাস্থ্য সহকারী নাজমুন নাহার করলেও তার সঙ্গে রয়েছেন- স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ওসমান গনি, মো. আব্দুল হান্নান, ফেরদৌস আরা বেগম, মোমেনা আক্তার, শুক্লা রানী সরকার, লুৎফুন নাহার আক্তার, আসমা আক্তার ও মো. শামীম।

গত তিন বছরে তারা সবাই কর্মস্থলে যথাসময়ে অনুপস্থিত থাকা, মাঠপর্যায়ে যথাযথ ভূমিকা না রাখায় কারণ দর্শানোর নোটিস পেয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্বাস্থ্য সহকারীদের বেশির ভাগই কর্মস্থলের কাছাকাছি থাকার কথা থাকলেও তারা থাকেন দূরে। সেখান থেকে এসে অফিস করায় নিয়মিতই বিলম্ব হয় তাদের। কখনও কখনও উচ্চপদস্থরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে গিয়েও তাদের পান না। এসব অভিযোগ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে জবাবদিহি করায় তার সঙ্গে তাদের বিরোধ তৈরি হয়।

এ বিষয়ে ওসমান গনি বলেন, ‘সব অভিযোগ (স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে) সত্য। সবাই জানে।’ তবে অভিযোগের বিষয়ে তার কাছে সুস্পট কোনো প্রমাণ আছে কিনা- জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দেননি তিনি। বলেন, ‘আমরা রিফফাত আরা স্যারের বদলি চাই।’

কি বলছেন অভিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

নিজের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অসত্য বলে দাবি করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূর-ই রিফাত আরা। তিনি বলেন, ‘এগুলোতো মিথ্যা কথা। ওইখানে কিছু গ্রুপ আছে, যারা স্টাফদের কাছে মিথ্যা স্বাক্ষর নিয়ে একটা ভুয়া অভিযোগ করেছে। এটা নিয়ে ওদের স্টাফদের মধ্যেই গণ্ডগোল চলতেছে যে- আপনারা কেন স্যারকে নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। আপনাদের উদ্দেশ্যে কি?’

তিনি দাবি করেন, ‘মূলত মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করেন তাদের কর্মস্থল এরিয়াতে থাকতে হয়। কিন্তু তারা ঢাকা থেকে আসা-যাওয়া করেন। এ কারণে ভিজিটে গিয়ে তাদের পাওয়া যায় না। ফোন করেও পাওয়া যায় না। এগুলা নিয়ে বারবার তাদেরকে মৌখিকভাবে বলেছি। তারপর শোকজ করেছি। তারা মূলত ফিল্ডেই কাজ করবেন। এতদিন ধরে এগুলাই বলে আসছি। এখন যখন শোকজ করছি তখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। যে স্বাস্থ্য সহকারী অভিযোগ করেছেন সম্প্রতি তাকে ফিল্ডে গিয়ে না পাওয়ায় তাকে শোকজ করেছি।’

আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিল পাস না হলেতো টাকা দেওয়া যাবে না। বিল পাস হওয়ার পর এখন টাকা দেওয়া হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত কোভিড ক্যাম্পেইন ভাতা রয়েছে। এ বছরের গত ২১ আগস্ট কোভিড ক্যাম্পেইন ভাতার চেক জমা দেওয়া হয়। সে টাকা উঠানো হয় ২৩ আগস্ট। এরপর টাকা নিতে মৌখিকভাবে সবাইকে জানানো হয়। অনেকে টাকা নিলেও কেউ কেউ টাকা গ্রহণ করেননি। এজন্য গতকাল (১৭ সেপ্টেম্বর) ঊর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে অফিস আদেশ জারি করা হয়।’

রিফফাত আরা বলেন, যারা টাকা নেননি তাদের মধ্যে নাজমুন নাহার, ওসমান গনি, মো. আব্দুল হান্নান, ফেরদৌস আরা বেগম, মোমেনা আক্তার, শুক্লা রানী সরকার, লুৎফুন নাহার আক্তার, আসমা আক্তার, শামীমরাও রয়েছেন।

এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অভিযোগ, নাজমুন নাহারসহ তার সহযোগীরা অন্যদেরও এই ক্যাম্পেইন ভাতার টাকা না নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে বুঝিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক ফরিদ হোসেন মিঞা বলেন, ‘অভিযোগটাতো আমার কাছে আসেনি। ওটা ডিজি মহোদয়ের কাছে গেছে জেনেছি। তবে আমার কাছে একটা কপি এসেছে।’

জানতে চাইলে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘গত সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ হয়েছে বলে জেনেছি। যেহেতু অভিযোগটি মহাপরিচালক বরাবর করা হয়েছে এটার এখতিয়ার তার, আমার না। সিদ্ধান্তের বিষয়টাও মহাপরিচালকের ব্যাপার।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা