প্রশ্ন নজরুল ইসলামের
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১৮:২৬ পিএম
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ২২:২০ পিএম
চট্টগ্রামে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মুখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলের আগে কথা বলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। প্রবা ফটো
বেশি করে ডিম কিনে সেদ্ধ করে ফ্রিজে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শের সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উল্টো প্রশ্ন রাখেন, দেশের কতজন মানুষের বেশি করে ডিম কেনার সামর্থ্য আছে? আর সবার বাসায় কি ফ্রিজ আছে কি না?
নজরুল বলেন, ‘যাদের বেশি করে কেনার সামর্থ্য আর ফ্রিজ আছে তাদের না হয় সমাধান পেল। আর যাদের বেশি করে কেনার সামর্থ্য এবং ফ্রিজ কোনোটাই নেই। তাদের সমস্যা তো থেকেই গেল।’
বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকালে গুম খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মুখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলের আগে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে প্রমাণ হয় যে তিনি সাধারণ মানুষের সরকার না, তিনি সামর্থ্যবানদের সরকার। আমরা বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ ও জনগণের সরকার চাই। যে সরকারের জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি। আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান যে সরকারের জন্য এই চট্টগ্রামের মাটি থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘যে দেশের স্বাধীনতার জন্য এতো ত্যাগ, সেই দেশের মানুষ আজ ভালো নেই। এখানে গণতন্ত্রের কথা বললে গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, ইলিয়াস আলী, কাউন্সিলর চৌধুরী আলমসহ আমাদের শত-শত নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। এগুলো খুব লজ্জার। আমরা এমন সরকার চাই না। আমরা এমন একটা দেশ চাই, যে দেশে গণতন্ত্র থাকবে, সাধারণ মানুষের অধিকার থাকবে। সেরকম বাংলাদেশ করার জন্য আমাদের আগামী দিনে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।‘
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
সভা শেষে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নাসিমন ভবনের সামনে থেকে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিলটি শুরু হয়। এ সময় লাভলেইন মোড় ও কাজীর দেউড়ি মোড়ে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেডের মধ্যে নূর আহমদ সড়কের দুই পাশ ঘুরে মিছিলটি শেষ হয়।