শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৩ ০০:১৪ এএম
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৩ ০০:২৫ এএম
পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে শেরপুরের দুই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবা ফটো
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে শেরপুরের দুই নদীর
পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকালে নালিতাবাড়ি উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী নদীর পানি বিপৎসীমার
১০০ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, পানি বেড়েছে আরও দুই নদ-নদীর। তবে ভোগাই নদী ও পুরতান ব্রহ্মপুত্র বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। বৃষ্টি
স্থায়ী না হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নদীর পানি কমবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে
জানানো হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর সদরে
৪৫, শ্রীবরদীতে ৪২, ঝিনাইগাতীতে ৪০, নালিতাবাড়ীতে ৫২ ও নকলায় ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এদিকে ভারী বর্ষণের ফলে অব্যাহত আছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা দশআনী নদীর
ভাঙন। সমস্যা নিরসনে এরইমধ্যে ২০০ মিটার তীরবর্তী এলাকায় বাঁধ নির্মাণের জন্য ঠিকাদার
নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমদাদুল হক।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভয়েজ অব ঝিনাইগাতীর সভাপতি জাহিদুল হক মনির বলেন, ‘হঠাৎ পানি আসায় বিপাকে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের মানুষ। বিশেষ করে বেশ কিছু কৃষক তাদের সবজি আবাদ নিয়ে চিন্তায় আছে। আমরা বেশকিছু পরিবারকে সহযোগিতা করছি।’