চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৩ ১৪:২৮ পিএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৩ ১৫:১৬ পিএম
বন্দরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল। প্রবা ফটো
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনালের গ্রাউন্ড ব্রেকিংয়ের কাজ শুরু করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দরকে আঞ্চলিক পণ্য পরিবহনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করাই লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বে-টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এ গভীর সমুদ্র বন্দরের প্রথম যে টার্মিনাল হবে ইতোমধ্যে সেটির টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। টেন্ডার চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আমরা আশা করছি, বাকি প্রক্রিয়া শেষ করে এই বছরের মধ্যে প্রথম টার্মিনালটির নির্মাণ কাজের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কাজ শুরু করতে পারব।’
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ প্রবাহ। এই বন্দরের মাধ্যমে দেশের মোট বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ এবং কন্টেইনারজাত পণ্যের ৯৮ শতাংশ পরিবাহিত হয়। দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগই সামাল দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। দেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য চাহিদা, আঞ্চলিক যোগাযোগের ভৌগলিক অবস্থানগত গুরুত্ব এবং বন্দর কেন্দ্রিক উন্নয়ন চিন্তা চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই বন্দরকে এখন আঞ্চলিক পণ্য পরিবহনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোভিড অতিমারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির প্রত্যাশিত গতিকে মন্থর করলেও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে তেমন প্রভাব ফেলেনি। বরং কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে এবং কম রপ্তানিতে আমাদের আয় বেড়েছে। গত জুন মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ রপ্তানি বেড়েছে, যার প্রায় ৮৪ শতাংশ জুড়ে ছিল তৈরি পোষাক।’
এ সময় নদী সুরক্ষিত রাখতে নগরবাসীকে খাল-নালায় বর্জ্য না ফেলার আহবান জানান তিনি।