বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৩ ১৮:৫৩ পিএম
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:১৩ পিএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে জাতীয় শোকদিবসের এক আলোচনা সভায় মাহবুব উল আলম হানিফ। প্রবা ফটো
বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশন গঠন করা দরকার বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হবে, এটা কেউ কখনও কল্পনা করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির চক্রান্তে কিছু ভাড়াটি সেনারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। অতিদ্রুত বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশন গঠন করা হোক। কারণ জাতি জানতে চায়, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা ছিল।
রবিবার (২০ আগস্ট) সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে ‘মুত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘পচাঁত্তরের হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে জাতিকে বিভক্ত করা হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে জাতি আজ দুভাবে বিভক্ত। একটি শক্তি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আর অপরটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। যতদিন এ বিভক্ত থাকবে, ততদিন এদেশ উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্ত হবে। তাই জাতির সামনে পরিষ্কার হওয়া উচিত কেন কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। তাই তদন্ত কমিশন গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের রক্তে লেখা স্বাধীনতা, কোন চক্রান্তের কাছে পরাজিত হতে দেব না। এ বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্খন হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। কিন্তু আজ অনেকেই মানবাধিকার নিয়ে বড় বড় কথা বলেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। দেশে ফিরতে তাকে সেদিন বিভিন্নভাবে বাধার সম্মুখিন হতে হয়েছিল। এমনকি সেদিন শেখ হাসিনাকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেদিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিবারের সবার জন্য মোনাজাত করেছিলেন।’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহা. জাহাঙ্গীর হোসেন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল আরফিন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম, ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাই, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় প্রমুখ।