নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৩ ১১:০৬ এএম
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৩ ১১:১৬ এএম
সপরিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহিম।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) রাতে চাটখিলের নোয়াখলা ইউনিয়ন যুবলীগের জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এমপি ইব্রাহিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি রশীদের ইউটিউবে একটা ইন্টারভিউ আছে। সেখানে ৭৫ সালের মার্চে খুনি রশীদ ও ফারুক জিয়াউর রহমানের সঙ্গে দেখা করে। খুনিরা সেদিন সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব আর্মি স্টাফ জিয়াউর রহমানকে বলেছিল, আমরা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাই। খুনি রশীদ, ফারুক সেদিন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও জিয়া তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। মার্শাল লয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি।’
এমপি ইব্রাহিম আরও বলেন, ‘খুনি রশীদ, ফারুককে আটক বা গ্রেপ্তার করার কোনো চেষ্টা করেননি জিয়াউর রহমান। মার্চ থেকে আগস্ট—এই দীর্ঘ সময়ে জিয়া তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অথবা রাষ্ট্রপতি অথবা সরকারের কাছে তথ্য দেননি। বরং তিনি সেসব খুনিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। এতেই বোঝা যায় সপরিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত ছিল।’
আগামী নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে এমপি ইব্রাহিম বলেন, ‘নৌকা হলো আমাদের প্রধান পরিচয়। নৌকা প্রতীক দেওয়ার মালিক একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌকা যাকে দেবে আমরা তার জন্যই কাজ করব। নৌকার বাইরে যাওয়ার সুযোগ আমাদের কারও নেই। আমরা আগামী নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে সবাই কাজ করব।’
এ সময় চাটখিল পৌরসভার মেয়র ভিপি নিজাম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ভিপি নাজমুল হুদা সাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।