কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২২ ১৭:২০ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২২ ১৮:২১ পিএম
কক্সবাজার সৈকতের চার শতাধিক ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। ছবি : প্রবা
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পাশে গড়ে ওঠা চার শতাধিক ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। এসব দোকান জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চালু থাকলেও হাইকোর্টের আদেশে তা উচ্ছেদ করা হয়।
সোমবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টের এসব ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ানসহ অন্য ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সৈকতে পাঁচ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৪১৭টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যগুলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ থাকায় পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, যাদের দোকান উচ্ছেদ হয়েছে, তাদের প্রতি সরকার খুবই আন্তরিক। তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারকে জানানো হবে।
উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা পরিস্থিত ছিলেন।
উচ্ছেদ হওয়া দোকান মালিক লাল মিয়া জানান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে বার্ষিক ৮ হাজার টাকা অনুমোদন ফি নিয়ে ঝুপড়ি দোকানগুলো বসানো হয়। এসব দোকানের সংখ্যা নির্দিষ্ট হলেও কয়েক বছর ধরে গণহারে অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন। ফলে সৈকতের একেবারে নিচে পর্যন্ত রাতারাতি যত্রযত্র ছড়িয়ে যায় দোকান। সৈকতে লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত হাজারো ঝুপড়ি দোকান রয়েছে।
প্রবা/এনএস/এমআই