রূপগঞ্জে পুলিশের কাণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২২ ২১:৩৪ পিএম
রূপগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক এমদাদুল হক
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জামিনে থাকা এক আসামি খুঁজতে গিয়ে নির্বিচারে ওই এলাকার শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন নারী-পুরুষকে পিটিয়ে আহত করেছে পুলিশ। ভাংচুর করেছে বাড়িঘর। এমন তাণ্ডব চালিয়ে যাকে গ্রেফতার করা হয় অবশেষে জামিনের কাগজ পেয়ে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। বুধবার উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, জামিনে থাকা এক আসামিকে ধরতে ২৫-৩০ জনের পুলিশের বিশাল দল নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় নাওড়া আসেন রূপগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক এমদাদুল হক। এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করার জন্য বাড়ি বাড়ি ঢুকে তারা নারী পুরুষদের নির্বিচারে পেটাতে থাকেন। পুলিশের এমন নির্যাতন থেকে বাদ পড়েনি শিক্ষার্থীরাও। এতে নাওড়া গ্রামের অন্তত ১৬ নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা আরও জানান, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আজগর ভূইয়াকে গ্রেফতার করতেই পুলিশের এই রণসাজ। একটি মারামারি মামলায় মিথ্যা আসামি করা হয়েছিল আজগরকে। ওই মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে তিনি নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেরত পরোয়ানা জমা দেন রূপগঞ্জ থানায়। সেটি পুলিশ নথিভুক্ত না করেই তাকে গ্রেফতারে গিয়ে নাওড়া গ্রামে এমন তাণ্ডব চালায়। পরে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গেলেও জামিনের কাগজ পেয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ।
আলী আজগরের অভিযোগ, তার প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে যোগসাজশেই পরিদর্শক এমদাদ গ্রামে গিয়ে এমন তাণ্ডব চালিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিদর্শম এমদাদ দাবি করেন, তিনি ভিলেজ পলিটিক্সের শিকার।