× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

যুবলীগ নেতা মামুন হত্যা : ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৪ জনের যাবজ্জীবন

লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৩ ১২:২৯ পিএম

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৩ ১৪:১৭ পিএম

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে আদালত থেকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। প্রবা ফটো

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে আদালত থেকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। প্রবা ফটো

লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদকে হত্যার দায়ে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আরও ১৪ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় দুজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ জুলাই) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দা আমিনা ফারহিন এ রায় দেন। 

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জসিম উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মধু ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত টিপন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।’ 

মামুনুর রশিদ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি চন্দ্রগঞ্জের আমানি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু তৈয়ব খানের ছেলে। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মধু, মো. মামুন, বাবু ওরফে গলাকাটা বাবু, মো. শামীম, কাউছার ওরফে ছোট কাউছার। 

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, মো.নেহাল, মো. বোরহান, মো. তুহিন, জাকির হোসেন, সোহরাব হোসেন, বাছির আহাম্মদ, মো. মিজান, আলমগীর হোসেন, কছির আহম্মেদ, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, তারেক আজিজ সুজন, মো. টিপন ওরফে জাহাঙ্গীর আলম। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন মো. সোহেল ও গোলাম রাব্বি। 

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজনীতি ও সমাজসেবামূলক কাজে জড়িত থাকায় মামুনের সঙ্গে সোলায়মান উদ্দিন জিসানের বিরোধ ছিল।  এতে জিসান বাহিনীর সদস্যরা মামুনকে হত্যার জন্য হুমকি দিতো। পরে জিসান র‍্যাবের হাতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এতে জিসানের ছোটভাই তুহিন ওই দলের প্রধান হয়ে এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করে আসছিলেন। আর এ বাহিনীর লোকজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহযোগিতা করে মামুন ও পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ওমর ফারুক। 

এদিকে জিসান হত্যার ঘটনায় মামুন ও ওমর ফারুক নামে আরও এক ব্যক্তিকে দায়ী করে তুহিন। এ কারণে তুহিন বাহিনীর সক্রিয়দের নিয়ে মামুন ও ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করে।  ২০১৫ সালের ১৮ মে রাতে মোটরসাইকেল করে মামুন চাটখিলের দেলিয়ার বাজার থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথে আসামিরা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব আমানি লক্ষ্মীপুর গ্রামে তাকে গুলি করে হত্যা করে। পরদিন মামুনের ভাই ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয়ে ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম হাক্কানি আদালতে ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৪ জনের যাবজ্জীবন ও ২ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে মামুন হত্যার সাড়ে ৩ মাস পর একই আসামিরা ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সকালে সদর উপজেলার পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ফারুকের স্ত্রী বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামুন হত্যার তদন্তকালে ফারুক হত্যার ঘটনাটিতে আসামিদের জড়িত থাকার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা