মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৩ ২৩:৩১ পিএম
প্রতীকী ছবি
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় আব্দুল্লাহ রাঢ়ী নামে এক কিশোর রঙমিস্ত্রির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম মুক্তারপুরের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন।
আব্দুল্লাহ বরিশালের হিজলা উপজেলার লক্ষিপুর এলাকায় আয়নাল রাঢ়ীর ছেলে। পশ্চিম মুক্তারপুরের কামাল দেওয়ানের টিনসেড বাড়ির একটি কক্ষে আব্দুল্লাহসহ চারজন কিশোর ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন। আটক কিশোরও তার সঙ্গে একই কক্ষে ছিলেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনসারুজ্জামান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খবর পেয়ে দুপুরের দিকে ঢাকা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম মুক্তারপুরের কামাল দেওয়ানের বাড়িতে রঙ মিস্ত্রির কাজ করে এমন চার কিশোর শ্রমিক ভাড়া থাকতেন। রবিবার সকালে দুইজন কাজ করতে চলে যায়। আবদুল্লাহ ও আটক কিশোর ঘরে ছিলেন। এ সময় সিগারেট আনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে আব্দুল্লাহকে কুপিয়ে হত্যা করে ওই কিশোর। এরপর ঘর তালাবদ্ধ করে সে পালিয়ে যায়।
পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একজন নারী পরিচ্ছন্নকর্মী বাড়ির আঙিনা পরিষ্কারের সময় তালাবদ্ধ ঘর থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়তে দেখেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয়দের জানালে তারা ঘরে ঢুকে চৌকির নিচে একটি মরদেহ তোষক ও বিছানার চাদর দিয়ে পেচানো দেখতে পায়।
পরে পুলিশে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আটক কিশোর ও আদুল্লাহ ছাড়া বাকি দুজন কাজে যায় বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এতে ওই কিশোরেকে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় মুক্তারপুরের ধলেশ্বরী নদীর পাড় থেকে তাকে আটক করা হয়।