ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৩ ১৪:১৩ পিএম
আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৩ ১৪:৩৯ পিএম
নির্বাচনে বাধা ও বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় মামলা। প্রবা ফটো
নীলফামারীর ডিমলায় নির্বাচনের মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ-বিজিবির ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী ফেরদৌস মিয়াসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ডিমলা থানায় নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) নায়েব সুবেদার নজরুল ইসলাম মামলাটি করেন। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইউপি নির্বাচনী কাজে বাধা, নির্বাচনী ফলাফল পছন্দ না হওয়ায় দলবদ্ধ হয়ে পুলিশ ও বিজিবির ওপরে আক্রমণ করা হয়। এতে পুলিশের তিনজনসহ বিজিবির পাঁচজন আহত হন। একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়।
তিনি বলেন, মামলার পর এখন পর্যন্ত ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে আমরা কাজ করছি।
এর আগে সোমবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার টেপা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ খড়িবাড়ী পণ্ডিতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গণনা শেষে প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে সাধারণ সদস্য প্রার্থী ফেরদৌস মিয়ার সমর্থকরা বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করেন।
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছ তারা হলেন ফেরদৌস মিয়া (৪০), আবদুল বারেক (৩৫), মো. তারেক (৩২), শফিয়ার রহমান (৬০), রহিদুল ইসলাম (৫৫), আ. করিম (৪৮), তাসিন (২৩), রবিউল ইসলাম (৩০), কামিনুর রহমান (৩৪), ফজল মিয়া রানা (৩৫), মোছা. নাছিমা বেগম (২৮), মোছা. রুবিনা বেগম (৪০), মোছা. পারভিন বেগম (৩৫), আ. করিম (৪৮), আবু হানিফ (৪২), মো. মাসুদুল ইসলাম (৩০), মো. ফরহাদ আলী (৩৫), মো. হাবিবুর রহমান হাবু (৩০), মো. আনিসুর রহমান (৩৩) ও মো. আবু জাহিদ (৩৮)।