লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৩ ১৫:৩১ পিএম
আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৩ ১৫:৩৫ পিএম
রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে নেওয়া হচ্ছে। প্রবা ফটো
লক্ষ্মীপুরে পর্নোগ্রাফি ও কপিরাইট আইনের দুটি মামলায় ২৪ জনের সাড়ে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে পর্নোগ্রাফি আইনে ২৪ জনকেই ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও ছয় মাস করে কারাগারে থাকতে হবে।
এ ছাড়া কপিরাইট আইনে ২৪ জনকেই ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ জুলাই) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- মো. সেলিম, মোখলেছুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম সুজন, রাম কর্মকার, শাহ আলম, মাহিফ আরাফাত, মো. খোকন, রাহাত খান, মাঈন উদ্দিন, মো. বেলাল, মো. সিরাজ, মামুন হোসেন ও মো. সিরাজ, জাহিদ হোসেন, জহির আলম ভূইয়া, মো. ইব্রাহিম, রথিন সুর, মো. মেজবাহ উদ্দিন, রিয়াজ মাহমুদ, মো. নুরুল আমিন, মো. মাসুম, জয়নাল আবেদীন নিশান, সবুজ হোসেন ও মো. মোস্তফা। তারা সবাই লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
জেলা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জসিম উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পনোগ্রাফি ও কপিরাইট আইনে মামলায় আসামিরা অভিযুক্ত হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ২১ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনজন পলাতক রয়েছেন।
এজাহারের বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মীপুর পৌর সুপার মার্কেট ও সদর উপজেলার মজু চৌধুরী হাট এলাকায় কম্পিউটারে পর্নো ছবি, বিভিন্ন শিল্পীদের অশ্লীল ভিডিও গান ও সদ্য মুক্তি পাওয়া বাংলা ছায়াছবির কপি রাইটের কাজ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল একটি চক্র। এমন অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই অভিযান চালায় র্যাব। পর্নোগ্রাফিতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধারসহ আসামিদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-১১ এর সদস্য এম আর আলম চৌধুরী সদর মডেল থানায় দুটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এক মামলায় ১১ জন এবং অন্য মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আদালত দুই মামলার রায় দেন।