রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৩ ২০:০৬ পিএম
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৩ ২০:২৩ পিএম
বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নগরীর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। প্রবা ফটো
দ্রুত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে এবারও রেকর্ড গড়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নগরীর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর নগরীর কোথাও কোরবানির বর্জ্য দেখা যায়নি। ফলে ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী পাচ্ছে রাজশাহীবাসী।
এর আগে ঈদের নামাজ শেষে রাসিকের নবনির্বাচিত মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন জানান, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কোরবানির বর্জ্য সেকেন্ডারি ট্রান্সফার ইউনিটে সরিয়ে ফেলবে রাসিকের পরিছন্নতা দপ্তর।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন জানান, সিটি মেয়রের দিকনির্দেশনা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে চার বছর ধরে দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়। ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী দেখতে পান নগরবাসী। পশু কোরবানির স্থান পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হয়, ছিটানো হয় ব্লিচিং পাউডার।
তিনি আরও বলেন, এবার নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে পশু কোরবানির জন্য মোট ২১০টি পয়েন্ট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এর বাইরেও নগরবাসী বাড়ির সামনে রাস্তা ও ফাঁকা জায়গায় পশু কোরবানি করেন। বেলা ১১টা থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে পশু জবেহ্র স্থান থেকে শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করে সিটি করপোরেশনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) নিয়ে আসা হয়েছে। রাতের মধ্যে এসটিএস থেকে সব বর্জ্য ভাগাড়ে পাঠানোর কাজ সম্পন্ন হবে।
রাসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের সব পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়। ওয়ার্ড এবং কেন্দ্র মিলে ১ হাজার ৩৭৭ জন শ্রমিক পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত আছেন। জীবানুনাশক হিসেবে প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫০ কেজি ব্লিচিং পাউডার ও ৪০ কেজি চুন প্রয়োগ করা হয়। পরিচ্ছন্নতার কাজে ২৪টি ট্রাক ও ২টি পানির গাড়ি ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।