রংপুর অফিস
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৩ ১৬:৩৫ পিএম
রংপুর নগরীর শাপলা চত্ত্বরে বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) দুপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেছেন, নির্ধারিত স্থানে কোরবানির বর্জ্য আসলে ১২ ঘন্টায় নয়, ৮ ঘন্টায় অপসারণ করা সম্ভব। আমরা ৮ ঘন্টায় সব স্থান থেকে বর্জ্য অপসারণের পর দেখি মানুষ পরবর্তী সময়ে কোরবানির বর্জ্য ফেলছে। এতে করে আমাদের ১২ ঘন্টা লেগে যায়। তবে এ বছর নগরবাসী সচেতন হওয়ায় ১২ ঘন্টায় নয়, ৮ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে পারবো বলে মনে করছি। বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্ত্বরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন মেয়র।
সিটি মেয়র বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণে তিনটি জোন কাজ করছে। প্রতিটি জোনে ১১টি করে ওয়ার্ড রয়েছে। প্রত্যেক জোনের আলাদা কজারভেন্সি ইন্সপেক্টর, গাড়ি, লেবার রয়েছে। এ বছরের শ্লোগান হচ্ছে‘আমার শহর, আমি রাখবো পরিস্কার’। এই শ্লোগান নগরবাসী মেনে চললে আমাদের জন্য কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা সহজ হয়।
মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এ বছর ২০০ থেকে ২৫০ টন কোরবানির বর্জ্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর জন্য সিটি করপোরেশনের ৬৫০ জন লোকসহ মোট ১ হাজার ৯৩ জন কর্মী বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর্জ্য অপসারণের কাজ তদারকি করছেন। এ ছাড়া বর্ধিত এলাকায় হাট-বাজারে ডাম্পিং ইয়ার্ড করা হয়েছে। সবাই যদি ওই স্থানে বর্জ্য ফেলেন, তবে আমাদের জন্য অপসারণ সহজ হয়। এখন যদি কেউ ঘরের কোনে বর্জ্য ফেলে, তবে সেখান থেকে অপসারণ করা সম্ভব হবে না। আমরা চাই নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে।
এ সময় প্যানেল মেয়র মাহবুবার রহমান মঞ্জু, সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মিজানুর রহমান মিজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির জন্য নগরীর ১১৭টি স্থান নির্ধারণ করেছে সিটি করপোরেশন। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ১২০টি ট্রলি ও ভ্যান, ২৭টি ডাম্প ট্রাক, ৩টি কমপেক্টর ট্রাক, ১টি হুইল লোডার, ৩টি ব্যাকহো লোডার, ২টি স্কিড লোডার, ২টি স্কাবেটর, ২টি পানিবাহী গাড়ি নিয়োজিত রয়েছে।