রাজশাহী সিটি নির্বাচন
রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৩ ২০:৫৭ পিএম
আপডেট : ২০ জুন ২০২৩ ২০:৫৯ পিএম
শোকজ পাওয়া রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন। প্রবা ফটো
ভোটগ্রহণের তিন দিন আগে রাতের বেলায় ২২ নাম্বার ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাগিনাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন। তিনি রাজশাহীর জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তাকে সোমবার (১৯ জুন) কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, একজন মানুষের বাসায় অন্য আরেকজন মানুষ যেতেই পারেন। তবে আবুল হোসেনের বাসায় ওই আওয়ামী লীগ নেতা কেন গিয়েছিলেন সেটি আমরা তদন্ত করে দেখব। শোকজের জবাব আসার পর তা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাঠানো হবে। এরপরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবুল হোসেন রাজশাহী নগরীর সাগরপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় একাই থাকেন। গত রবিবার রাতে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২২ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল হামিদ সরকার টেকোনের ভাগিনা মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমন তার বাসায় যান। এ সময় স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। দাবি করা হয়, লেমন তার মামা টেকোনকে ভোটে জেতাতে নির্বাচন কর্মকর্তার বাড়িতে টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে মধ্যরাতে পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়।
শোকজের বিষয়ে জানতে নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেনকে ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অফিসে গিয়েও তার দেখা মেলেনি। অবশ্য ওই রাতে আবুল হোসেন বলেছিলেন, ‘আমার সাথে লেমন ভাইয়ের রাস্তায় দেখা হয়। এ সময় আমি কথা বলতে বলতে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাই। একজন মানুষ, যিনি আমার পূর্ব পরিচিত, তিনি আমার কাছে আসতেই পারে।’