প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৩ ২২:০১ পিএম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৩ ১২:০৪ পিএম
প্রতীকী ছবি
রাজধানীতে চোরচক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে। র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোসতাক আহমেদ বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানান। তিনি বলেন, চক্রটি গাড়ি চুরি করে মাদক কারবারিদের কাছে অল্প মূল্যে বিক্রি করত। বুধবার রাতে র্যাব গোপন খবর পায়, মেরুল বাড্ডার ডিআইটি রোডের ৪ নম্বর রোডের ৮২ নম্বর প্লটে মীম অটোমোবাইলস গ্যারেজে চুরি ও ডাকাতির গাড়ি রয়েছে এবং ডাকাতচক্রের সদস্যরাও সেখানে রয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব অভিযান চালিয়ে এই চক্রের মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। ওই গ্যারেজ থেকে তিনটি চোরাই পিকআপ, চারটি মোবাইল ফোন ও ৭৫০ টাকাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বিল্লাল হোসেন, কবির হোসেন, মো. আশিক ও রাজ। তাদের মধ্যে বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে জানিয়ে মোসতাক আহমেদ বলেন, চক্রটি এ পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫টি গাড়ি চুরি করে বিক্রি করেছে বলে স্বীকার করেছেন বিল্লাল হোসেন। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিল্লাল হোসেন জানান, এই চুরি ও ডাকাতি চক্রের অন্যতম হোতা তিনি। তার নেতৃত্বে অন্য সহযোগীরা ডাকাতি ও চুরি করা গাড়িগুলো গ্রেপ্তার কবির হোসেনের মীম অটোমোবাইলস গ্যারেজে নিয়ে আসেন। আব্দুল করিম একজন সদস্য। তিনি এসব গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে একাধিক গাড়িতে সংযোজন করেন।
মোতাহার আহমেদ আরও জানান, চক্রটি নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ডাকাতি ও চুরি করা গাড়ি ঢাকায় এনে বিক্রি করত। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার মো. আশিক এবং রাজ গাড়ি চুরি ছাড়াও এক জেলার চুরিকৃত গাড়ি অন্য জেলায় বিক্রি করতেন। এই চোর চক্রের সদস্যরা একেকজন একেক দায়িত্ব নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, যা প্রাথমিকভাবে তারা স্বীকার করেছেন। তারা ছয়-সাত বছর যাবৎ এই কাজ করে আসছিলেন।