প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৩ ২০:০৬ পিএম
আপডেট : ১১ জুন ২০২৩ ২২:২০ পিএম
ছবি সংগৃহীত
দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চ কাউন্সিল (সিবিসি) গত ১০ জুন ‘জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ শীর্ষক বাজেট পরবর্তী আলোচনা’ শিরোনামে এক সেমিনার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপত্বিত করেন শফিক অ্যান্ড বসাক কোংয়ের সিনিয়র পার্টনার সম্পদ কুমার বসাক। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিআরসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিএমএবি বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. মো: সেলিম উদ্দিন।
ড. সেলিম বলেন, ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার এ বাজেট বাংলাদেশের এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ বাজেট। বর্তমান সরকারের ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের প্রায় শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব। ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নে ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা আয় এবং ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে সংস্থানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
তিনি আর বলেন, বর্তমান উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর কর্তৃক রাজস্ব আয় বিগত বছরের সমান ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় বহাল রেখেছে এটা সরকারের জন্য প্রশংসনীয়। বিশ্বে বহুসংখ্যক দেশ রয়েছে যাদের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ জিডিপির সমান বা তার চেয়েও বেশি। তারপরও এসব দেশে অর্থনৈতিক কোন অচলাবস্থা তৈরি হয়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ভোগ্যপণ্যসহ মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ইত্যাদির দাম বৃদ্ধি এবং ডলার সংকটের ফলে রিজার্ভে চাপ বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এই বাজেটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি আরও বলেন, অগ্রাধিকারমূলক মেগা প্রজেক্টে বরাদ্দ, সরকারি ব্যয় হ্রাস, বিলাসী পণ্যের আমাদানি নিরুৎসাহিত করাসহ বিভিন্ন ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ কিছুটা যেমন কমেছে তেমনি প্রণোদনা ঘোষণার ফলে রেমিট্যান্সের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনেকটা স্বস্তিদায়ক।
সেমিনারে আইসিএমএবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।