× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

‘নৌকাকে জেতাতে ভোট ডাকাতি’

বক্তব্য দেওয়া ইমরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসির চিঠি

কক্সবাজার অফিস

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৩ ২১:৫৯ পিএম

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩ ০০:০০ এএম

হলদিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী (মাঝে)। ছবি : সংগৃহীত

হলদিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী (মাঝে)। ছবি : সংগৃহীত

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতি করে নৌকার প্রার্থীকে জয়ী করে আনার’ বক্তব্য দেওয়া উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) নির্বাচন কমিশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আশাদুল হকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ইমরুল কায়েস চৌধুরীর বক্তব্যের বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে জানানোর জন্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কক্সবাজার সদরে শহরের আটটি ভোটকেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতি করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কায়সারুল হক জুয়েলের জয় নিশ্চিত করেছিলেন বলে দাবি করেছেন উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতিপ্রার্থী ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাতে কক্সবাজার পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুব রহমানের সমর্থনে আয়োজিত এক সভায় যুবলীগ নেতা ইমরুল এমন মন্তব্য করেন। তার বক্তব্যটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে পুরো জেলায় তোলপাড় শুরু হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে শহরের তারাবনিয়ারছড়ায় এক সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস।

এদিকে ২০১৯ সালের সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফল বাতিল এবং ওই নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে আটজনকে লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান খান।

তারা হলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, কায়সারুল হক জুয়েল ও ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

লিগ্যাল নোটিসে বলা হয়েছে, সদর উপজেলা নির্বাচনে ভোট ডাকাতির বক্তব্যের মাধ্যমে ইমরুল কায়েস নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংগঠিত অনিয়ম, নির্বাচনী ফলাফল পরিবর্তন সম্পর্কে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট বর্তমান বিতর্ক এবং নির্বাচনী অনিয়মের বিষয়ে এটি একটি তথ্যভিত্তিক স্বীকারোক্তি।

তিনি এ বক্তব্যের মাধ্যমে ওই নির্বাচনে কারচুপির বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং তার বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট ওই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত সবাই অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যা নির্বাচনী বিধিমালার পরিষ্কার লঙ্ঘন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কায়সারুল হক জুয়েলকে বিজয়ী করার জন্য ইমরুল কায়েস নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোট ডাকাতির বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন এবং তা গণমাধ্যমেও এসেছে। ওই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত প্রশাসন ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা নির্বাচনী অনিয়ম নিয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা