রংপুর অফিস
প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৩ ১৬:৫৯ পিএম
প্রতীকী ছবি
রংপুরে বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জুন) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রাও খুব একটা কমছে না। ফলে দিনে-রাতে প্রায় সমান গরম অনুভূত হচ্ছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে রংপুর আবহাওয়া অফিস। এদিন রংপুর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ৪১ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি ও ডিমলায় সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রংপুরে বৃহস্পতিবার দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রংপুর আবহাওয়া কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এমন তীব্র তাপপ্রবাহ সপ্তাহখানেক থাকবে। এরপরে কমে আসতে পারে। এ ছাড়া বর্তমানে রাতে তাপমাত্রা তুলনামূলক কমছে না। ফলে রাতেও অত্যাধিক গরম অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে কয়েক দিন ধরে অত্যাধিক গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে মানুষের। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। রোদের কারণে ছাতা ছাড়া রাস্তায় বের হতে পারছে না সাধারণ মানুষ। লোডশেডিংয়ের কারণে তীব্র গরমে প্রায় প্রতিটি ঘরেই জ্বর, সর্দি, কাশিসহ নানা রোগের প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা গরমে নাজেহাল।
রংপুর নগরীর বাহার কাছনার শারমিন আক্তার বলেন, দিনে-রাতে একই রকম গরম লাগছে। এ ছাড়া লোডশেডিংয়ের কারণে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের বেশি কষ্ট হচ্ছে। গরমের কারণে বাচ্চাদের জ্বর-সর্দি লেগেই আছে।
নগরীর মূলাটোলের আব্দুর রহিম বলেন, গরমে বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। এখন বোঝা যাচ্ছে গাছের প্রয়োজনীয়তা কতখানি। নগরের যেসব এলাকায় গাছ নেই, সেসব এলাকার রাস্তায় হাটাই মুশকিল হয়ে গেছে।