সিলেট অফিস
প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৩ ০০:২৫ এএম
আপডেট : ০১ জুন ২০২৩ ১১:১৩ এএম
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সংগৃহীত ফটো
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৩৭ জন শ্রবণশক্তি ফিরে পেয়েছেন; যার অধিকাংশই শিশু। বুধবার (৩১ মে) ওসমানী হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য দেন ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান ডা. মণিলাল আইচ। সভায় কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহযোগিতায় ঢাকার বাইরে সিলেটে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রকল্পের যাত্রা হয়। ২০২২ সালের ২৫ মে সিলেটে প্রথমবারের মতো জন্মবধির এক শিশুর কানে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। এ চিকিৎসা পদ্ধতি জটিল ও ব্যয়বহুল। একটি কক্লিয়ার ডিভাইসের দাম ৬ থেকে ১৪ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ব্যয়বহুল কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে পাঁচজন দক্ষ কক্লিয়ার সার্জন আছেন।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় অনেক শিশু স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওসমানী মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. মুজিবুল হক, ওসমানী হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী, প্রজেক্ট ডিরেক্টর ডা. নুরুল হুদা নাঈম, ডা. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।