বরগুনা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৩ ১৮:১৬ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৩ ২৩:০৬ পিএম
চেয়ারম্যান এইচএম মনিরুল ইসলাম মনি।
বরগুনার আমতলীতে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি-ইজিপিপির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনওর কাছে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ উঠেছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। ঘটনা তদন্ত করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা-পিআইওকে নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম এইচএম মনিরুল ইসলাম মনি। তিনি আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
অভিযোগ আনা হয়েছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপির দুই প্রকল্পে ৬৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। দুই প্রকল্পে ১৩৯ জন হতদরিদ্রদকে কাজ দিয়ে প্রকল্প শেষ করার কথা নীতিমালায় উল্লেখ আছে। তা উপেক্ষা করে নিজের আত্মীয়, সাবেক সরকারি চাকরিজীবী ও স্বচ্ছল ব্যক্তিদের তালিকায় রেখেছেন মোতালেব গাজী। তালিকায় নিজের মোবাইল নম্বর রেখে টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তালিকাভুক্ত একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আলমগীর হোসেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হতদরিদ্রদের তালিকায় আমার নাম কেন থাকবে। আমি বিষয়ে কিছুই জানিনা। কোনো টাকাও উত্তোলন করিনি।’
কবির প্যাদা নামে তালিকাভুক্ত আরেকজন বলেন, ‘হতদরিদ্রের তালিকায় আমার নাম দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমি কিছুই জানি না।’
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি নীতিমালা অনুসারণ করে কাজ করেছি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, ‘দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’